Bankura: বাঁকুড়ায় তৈরি হল ৬ লাখি টয়লেট, কী কী আছে তার ভিতর জানেন?
Bankura Toilet: বাঁকুড়া পুরসভার সামনে পুরানো একটি টয়লেট ভেঙে সে জায়গায় সম্প্রতি দুকামরার একটি টয়লেট ব্লক তৈরির কাজ শুরু করে বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থা। নিয়ম মেনে ওই নির্মাণকাজের তথ্য সম্বলিত বোর্ড লাগানো হয় পুরসভার সামনে। বোর্ড দেখেই চমকে ওঠেন পথ চলতি মানুষ। দেখা যায় ওই টয়লেট ব্লক নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৬ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৩৩ টাকা।

বাঁকুড়া: দু’কামরার শৌচালয় তৈরির জন্য বরাদ্দ সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা। কী অবাক হচ্ছেন? শহরাঞ্চলে সরকারি আবাস প্রকল্পে আস্ত বাড়ি তৈরির জন্য বরাদ্দ যেখানে ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার এবং গ্রামে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সেখানে শৌচালয় তৈরির জন্য সরকারি বরাদ্দের এই অঙ্ক শুনে চমকে ওঠারই কথা। বাঁকুড়া পুরসভার সামনে নির্মীয়মান মহার্ঘ্য এই শৌচালয়কে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। কাটমানি ইস্যুতে পুরসভাকে বিঁধে সরগরম সমাজমাধ্যমও।
বাঁকুড়া পুরসভার সামনে পুরানো একটি টয়লেট ভেঙে সে জায়গায় সম্প্রতি দুকামরার একটি টয়লেট ব্লক তৈরির কাজ শুরু করে বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থা। নিয়ম মেনে ওই নির্মাণকাজের তথ্য সম্বলিত বোর্ড লাগানো হয় পুরসভার সামনে। বোর্ড দেখেই চমকে ওঠেন পথ চলতি মানুষ। দেখা যায় ওই টয়লেট ব্লক নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৬ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৩৩ টাকা। যা দেখে রীতিমত হতবাক হয়ে পড়েন স্থানীয় পথ চলতি মানুষ।
অনেকে মহার্ঘ্য এই টয়লেট ব্লকের তথ্য সম্বলিত বোর্ডের ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেন। যাকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল গতকাল নিজের সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি পোস্ট করে সরাসরি পুরসভার বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তোলেন।
বিরোধীদের প্রশ্ন আবাস প্রকল্পে শহরাঞ্চলে আস্ত বাড়ি তৈরির জন্য ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা এবং গ্রামাঞ্চলে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ। ওই টাকায় যেখানে উপভোক্তারা এক কামরার বাড়ি, বারান্দা, রান্নাঘর ও শৌচালয় তৈরি করে থাকেন, সেখানে পুরসভার ২ কামরার শৌচালয় তৈরি করতে কেন এত বিপুল বরাদ্দ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আবাসের উপভোক্তারাই। বরাদ্দ অর্থ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতেই তড়িঘড়ি নির্মাণকারী সংস্থা টয়লেট ব্লক নির্মাণের তথ্য সম্বলিত ওই বোর্ড সরিয়ে ফেলে।
বিজেপির স্থানীয় নেতারাও এক্ষেত্রে তৃণমূল পরিচালিত কাটমানির তত্ত্ব সামনে এনেছেন। অন্যদিকে পুরসভার দাবি এই অর্থ বরাদ্দ করেছে সুডা অর্থাৎ স্টেট আরবান ডেভলপমেন্ট অথোরিটি। ই-টেন্ডারের মাধ্যমে সেই কাজ করাচ্ছে পুরসভা। আধুনিক সমস্ত ব্যবস্থা সহ ওই শৌচালয় তৈরীর পরিকল্পনা থাকাতেই বেশি পরিমাণ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
