Darjeeling: এক সঙ্গে রাখার অভ্যাস করানো হয়, ‘আকবর’ আর ‘সীতা’র মিলনই নজর কাড়ছে বেঙ্গল সাফারি পার্কের

Darjeeling: শুধু তাই নয়৷ নতুন বছরের শুরুতেই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, গন্ডার, হাতি সাফারির পাশাপাশি পশুরাজ সিংহর সাফারি মজা উপভোগ করতে পারবেন পার্কে আসা পর্যটকরা। আর সিংহের আগমনে পার্কে পর্যটকদের আরও ঢল নামবে বলে আশাবাদী পার্ক কর্তৃপক্ষ।

Darjeeling:  এক সঙ্গে রাখার অভ্যাস করানো হয়,  'আকবর' আর 'সীতা'র মিলনই নজর কাড়ছে বেঙ্গল সাফারি পার্কের
বেঙ্গল সাফারিতে বিশেষ আকর্ষণImage Credit source: TV9 Bangla
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Feb 12, 2024 | 5:15 PM

শিলিগুড়ি: সিনেমার চরিত্রের নামেই নামকরণ, বেঙ্গল সাফারিতে এল পশুরাজ দম্পতি। অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। বেঙ্গল সাফারি পার্কে আগমন হল পশুরাজ সিংহ আকবর ও সীতার। ত্রিপুরার বিশালগড়ের সিপাহিজালা জুওলজিক্যাল পার্ক থেকে সোমবার রাজ্যের বেঙ্গল সাফারি পার্কে পৌঁছয় পশুরাজ সিংহ দম্পতি। সঙ্গে একজোড়া লেপার্ড ক্যাট ও চশমা বাঁদর বা ম্যাজেস্টিক লাঙ্গুর।

রাজ্য জু অথরিটি ও বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আকবরের জন্ম ২০১৬ সালে। বাবা দুষ্মন্ত ও চিন্ময়ী দম্পতি ২০১৬ সালে সিপাহিজালা চিড়িয়াখানায় তিন শাবকের জন্ম দিয়েছিল। পরে তাদের নামকরণ করা হয়েছিল ৭০ দশকের অমিতাভ বচ্চন ও ঋষি কাপুরের সিনেমা অমর, আকবর ও অ্যান্টনি। সেই তিন শাবকের মধ্যে আকবরকে বেঙ্গল সাফারি পার্কের জন্য বেছে নেয় ‘সেন্ট্রাল জু অথরিটি’ ও ‘রাজ্য জু অথরিটি’। বর্তমানে তার বয়স সাত বছর।

এদিকে ত্রিপুরা চিড়িয়াখানাতেই জন্ম হয় সীতার। তার জন্ম ২০১৮ সালে। এখন সীতার বয়স পাঁচ বছর। বেঙ্গল সাফারি পার্কে আসার আগে আকবর ও সীতার একসঙ্গে থাকার অভ্যাস করানো হয়। বেঙ্গল সাফারিতে রয়্যাল বেঙ্গল প্রজননে নজির স্থাপন করেছে। তাই এবার রয়্যাল বেঙ্গলের পর সিংহর প্রজননেও সফলতা আসবে বলে আশাবাদী পার্ক কর্তৃপক্ষ।

এই খবরটিও পড়ুন

শুধু তাই নয়৷ নতুন বছরের শুরুতেই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, গন্ডার, হাতি সাফারির পাশাপাশি পশুরাজ সিংহর সাফারি মজা উপভোগ করতে পারবেন পার্কে আসা পর্যটকরা। আর সিংহের আগমনে পার্কে পর্যটকদের আরও ঢল নামবে বলে আশাবাদী পার্ক কর্তৃপক্ষ।

এই বিষয়ে রাজ্য জু অথরিটির সদস্য সচিব সৌরভ চৌধুরী বলেন, “যত্নের সঙ্গে নিরাপদে সিংহ বেঙ্গল সাফারিতে পৌঁছে গিয়েছে। পার্কে সদস্য সংখ্যা বাড়ল। প্রাণীগুলো সুস্থ রয়েছে। তবে এখন তাদের নাইট শেল্টার ও আলাদা এনক্লোজারে রাখা হবে। এখনই পর্যটকদের জন্য সামনে আনা হবে না৷ বেঙ্গল সাফারির পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার পর, তাদের প্রকাশ্যে আনা হবে।”

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাণীগুলোর যাতে সড়কপথে বেশি সমস্যা না হয় সেজন্য গ্রিন করিডোরের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পশু বিশেষজ্ঞ ও পশু চিকিৎসক সহ বন আধিকারিকদের নিয়ে বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছিল। প্রথমে ত্রিপুরা থেকে অসম নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একরাত্রি বিশ্রামের পর তাদের এদিন বেঙ্গল সাফারিতে নিয়ে আসা হয়। সিংহ সাফারির জন্য বেঙ্গল সাফারি পার্কে ৯৬ একরের উপর আলাদা এনক্লোজার তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন পাঁচ থেকে আট কেজি করে মাংস দেওয়া হবে সিংহ দুটোকে।