100 years old Voter: ১০০ বছরে ভোট দিয়ে ফোকলা দাঁতে মিষ্টি হাসি আর ধরে না প্রিয়বালা ‘ঠাকুমা’র

Loksabha Election 2024: চুঁচুড়া কপিডাঙার বাসিন্দা প্রিয়বালা কুণ্ডু। ১০০ বছর বয়স এখন। ২০০৯ সালে লোকসভা ভোটে শেষ বার তিনি ভোট দিয়েছিলেন। এরপর আর ভোট দেননি। কোনও অজ্ঞাত কারণে ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ পড়ে। পরিবারের লোকেরা জানান, বহু জায়গায় বলেও কাজ হয়নি। এমনকী রেশন কার্ডের সুবিধাও ওই বৃদ্ধা পান না বলে দাবি পরিবারের।

100 years old Voter: ১০০ বছরে ভোট দিয়ে ফোকলা দাঁতে মিষ্টি হাসি আর ধরে না প্রিয়বালা 'ঠাকুমা'র
ভোট দিলেন প্রিয়বালাদেবী। Image Credit source: TV9 Bangla
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: May 16, 2024 | 6:51 PM

হুগলি: শতায়ু প্রিয়বালা কুণ্ডু ভোট দিলেন ১৫ বছর পর। মাঝের এতগুলো বছর শুধুমাত্র ভোটার তালিকায় নাম না থাকার কারণে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি তিনি। অবশেষে ২০২৪-এর ভোটে ভোটার তালিকায় নতুন করে উঠল নাম, ভোট দিলেন প্রিয়বালা। আঙুলে কালির দাগ ছুঁইয়ে ফোকলা দাঁতেও সে কী হাসি।

চুঁচুড়া কপিডাঙার বাসিন্দা প্রিয়বালা কুণ্ডু। ১০০ বছর বয়স এখন। ২০০৯ সালে লোকসভা ভোটে শেষ বার তিনি ভোট দিয়েছিলেন। এরপর আর ভোট দেননি। কোনও অজ্ঞাত কারণে ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ পড়ে। পরিবারের লোকেরা জানান, বহু জায়গায় বলেও কাজ হয়নি। এমনকী রেশন কার্ডের সুবিধাও ওই বৃদ্ধা পান না বলে দাবি পরিবারের।

এবার লোকসভা ভোটের আগে বৃদ্ধার নাতিরা সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি জানান। এরপর সেখান থেকে মহকুমাশাসকের দফতর অবধি খবর পৌঁছয়। এরপর সেখান থেকেই প্রিয়বালা কুণ্ডুর বাড়িতে আধিকারিক পাঠিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলানোর ব্যবস্থা করা হয়। ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোট নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন। সেইমতোই বৃহস্পতিবার বাড়িতে বসে ভোট দিলেন তিনি।

এতদিন পর ভোট দিয়ে দারুণ খুশি প্রিয়বালাদেবী। বলেন, ছেলে, ছেলে বৌয়ের সঙ্গে ভোট দিতে যেতেন এক সময়। তারপর কী যে হল, ভোটের তালিকায় আর তাঁর নামই ওঠে না। ফলে দিতে পারতেন না ভোটও। এবার ভোট দিতে পেরে দারুণ খুশি তিনি। এদিন ভোটকর্মীদের সঙ্গে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীও। তাদের উপস্থিতিতেই ভোটগ্রহণ চলে।

বৃদ্ধার নাতি সঞ্জয় কুন্ডু বলেন, “মিডিয়ার মাধ্যমে খবর পেয়ে তারপর ঠাকুমার ভোটের ব্যবস্থা হল। কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল, স্থানীয় থানার পুলিশও ছিল। কেন যে ভোট বন্ধ হল কেউ জানি না। ঠাকুমার রেশনও তো বন্ধ।” আর ভোট দিয়ে খুশি প্রিয়বালাদেবী বলেন, “আমার হাতের ছাপ নিল, আঙুলে কালি লাগিয়ে দিল। তারপর আমি ভোট দিলাম। চোখে খুব ভাল দেখি না। তবে এত বছর পর ভোট দিতে পেরে খুব ভাল লাগছে। কারা যে ভোট বন্ধ করল, রেশন কার্ড বন্ধ করল জানি না। তবে এবার খুব ভাল লাগছে। ১০০ বছরের বেশি বয়স আমার।”