Bandel: কেন খুন হলেন কলকাতা পুরনিগমের কর্মী? তদন্তের শুরুতেই মৃতের ভাইপোকে আটক করল পুলিশ
Bandel Firing: কী কারণে এই কাণ্ড ঘটল, কারা গুলি চালাল, সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন পুলিশকর্মীরা। তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই মৃত লালবাবু গোয়ালার ভাইপো আদিত্য গোয়ালাকে আটক করেছে পুলিশ। পারিবারিক কোনও বিবাদ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রেখেছেন তদন্তকারী অফিসাররা।

ব্যান্ডেল: বুধবার রাতে অফিস সেরে বাড়ি ফেরার পথে ব্যান্ডেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে লালবাবু গোয়ালা নামে কলকাতা পুরনিগমের এক কর্মীর। গতকালের এই ঘটনার পরই জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কী কারণে এই কাণ্ড ঘটল, কারা গুলি চালাল, সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন পুলিশকর্মীরা। তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই মৃত লালবাবু গোয়ালার ভাইপো আদিত্য গোয়ালাকে আটক করেছে পুলিশ। পারিবারিক কোনও বিবাদ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রেখেছেন তদন্তকারী অফিসাররা।
কী কারণে খুন করা হল লালবাবুকে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। জানা যাচ্ছে, মৃত লালবাবু গোয়ালার ভাই ধর্মেন্দ্র গোয়ালাও কলকাতা পুরনিগমেরই কর্মী। ২০০১ সালে ধর্মেন্দ্র গোয়ালার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু বৈবাহিক সম্পর্কে খুব একটা মসৃণ ছিল না। বিবাহ বিচ্ছেদ না হলেও ২০০৪ সালে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে নিউ কাজিডাঙা এলাকাতেই কয়েকটি বাড়ির তফাতেই বসবাস করছিলেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, গুলি চলার ঘটনার পর গতরাতেই লালবাবুর ভাইপোকে আটক করা হয়েছে। যদিও তাঁর মায়ের দাবি, ঘটনার সময় আদিত্য বাড়িতেই ছিল।
গতসন্ধেয় অফিস শেষ করে ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে লালবাবুর উপর হামলা হয়েছিল। একদল দুষ্কৃতী পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে পালায়। গুলি লাগে লালবাবুর বুকের বাঁ দিকে। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গতকাল যেখানে গুলি চালানো হয়েছিল লালবাবুকে লক্ষ্য করে, সেখানেও বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
