Howrah Municipality: অভিযোগ-অনুযোগ জানাতে পারবেন ফোনেই, হাওড়া পুরসভায় চালু হল ‘চেয়ারম্যান অন কল

Howrah: পুকুর ভরাট থেকে এলাকায় রাস্তা, নিকাশি কিংবা বেআইনি বাড়ি সংক্রান্ত যে কোনও অভাব বা অভিযোগ থাকলে বাসিন্দারা এবার তা সরাসরি ফোন করে হাওড়া পুরসভার মুখ্য প্রশাসককে জানাতে পারবেন।

Howrah Municipality: অভিযোগ-অনুযোগ জানাতে পারবেন ফোনেই, হাওড়া পুরসভায় চালু হল 'চেয়ারম্যান অন কল
পুরসভার নয়া উদ্যোগ নিজস্ব চিত্র।

হাওড়া: পুকুর ভরাট থেকে এলাকায় রাস্তা, নিকাশি কিংবা বেআইনি বাড়ি সংক্রান্ত যে কোনও অভাব বা অভিযোগ থাকলে বাসিন্দারা এবার তা সরাসরি ফোন করে হাওড়া পুরসভার মুখ্য প্রশাসককে জানাতে পারবেন। কোনও এলাকায় রাস্তা খারাপ, নিকাশির সমস্যা কিংবা বেআইনি বাড়ি নিয়ে অভিযোগ থাকলে পুরসভার নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে প্রশাসকমণ্ডলীকে জানানো যাবে। তার পর মুখ্য প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন প্রশাসকমণ্ডলী এই সমস্যা খতিয়ে দেখে নির্দিষ্ট দফতরকে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেবে। এর পর সংশ্লিষ্ট দফতরের তরফে এই সমস্যার সমাধান করা হবে। বাসিন্দাদের মুখ্য প্রশাসককে ফোন করার এই পদ্ধতির নাম দেওয়া হয়েছে ‘চেয়ারম্যান অন কল’। বুধবার থেকেই হাওড়া পুরসভা এলাকার বাসিন্দারা ‘‘চেয়ারম্যান অন কল’’- করতে পারবেন ৮১০০৮৮৩৩০০ এই নম্বরে। দুপুর ১২টা থেকে ২টো পর্যন্ত যে কোনও কাজের দিনেই এই ফোন করতে পারবেন তাঁরা।

হাওড়া পুরসভা তরফে এদিন সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে জানানো হয়, ফোনের মাধ্যমে বাসিন্দাদের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য পুর আধিকারিক ও কর্মীদের নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়েছে। প্রথমে ফোনে বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাসিন্দাদের অভাব অভিযোগের কথা শোনা হবে। এই সমস্ত অভাব, অভিযোগ একটি জায়গায় লিপিবদ্ধ করে সেগুলি প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে। মুখ্য প্রশাসক-সহ প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্যরা কোনও দফতরকে বললে সমস্যার সমাধান হবে তা খতিয়ে দেখে আধিকারিকদের সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেবেন।

জানা যাচ্ছে, ‘চেয়ারম্যান অন কল’ নিয়ে যে দলটি গঠন করা হয়েছে সেই দলের এক জন লগ বুকে ফোনে আসা অভিযোগগুলি লিখবেন। এক জন কম্পিউটারে অভাব অভিযোগগুলি লিপিবদ্ধ করবেন। দলের অপর এক সদস্য বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে সমস্যাগুলি নিয়ে সমম্বয় রক্ষা করবেন। কাজগুলি হচ্ছে কি না তা দেখবেন আরেক সদস্য। এঁদেরকে নিয়েই ৫ জনের একটি দল গঠন করা হয়েছে।

পুরসভা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সমস্যার সমাধান করে ফেললে যে ব্যক্তি সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন তাঁকে পুরসভার তরফে সমস্যার সমাধানের কথা জানিয়ে দেওয়া হবে। সত্যিই কাজ হয়েছে কি না তা ওই দলের সদস্যরাই সরেজমিনে গিয়ে দেখে আসবেন।

এই প্রসঙ্গে হাওড়ার মুখ্য প্রশাসক শ্রী সুজয় চক্রবর্তী জানান, বিশেষত প্রবীণ নাগরিকদের জন্যই এই ‘চেয়ারম্যান অন কল’-এর ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। কারণ, বহু বয়স্ক মানুষকে হাওড়া ময়দানে পুরসভার সদর দফতরে হেঁটে এসে অভাব- অভিযোগের কথা জানাতে হয়। অনেককে পুরসভায় এসে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয়। একথা মাথায় রেখেই ‘চেয়ারম্যান অন কল’ চালু করা হল। তবে ফোনে অভাব অভিযোগের কথা শোনার পাশাপাশি লিখিত অভিযোগও প্রবীণ নাগরিকরা পুরসভায এসে জানাতে পারবেন বলে জানান মুখ্য প্রশাসক। ইতিপূর্বেই কলকাতা পুরসভায় মেয়র অন কল চালু রয়েছে। বাসিন্দারা তাঁদের অভাব, অভিযোগের কথা সরাসরি কলকাতার মেয়রকে জানাতে পারেন। অনেকটা সেই ধাঁচেই হাওড়াতেও চালু হল এই ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন: Swastha Sathi: বিশ্লেষণ: কেন সরকারি হাসপাতালেও বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্যসাথী?

Related News

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla