AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TML Leader: শুভেন্দুকে দেখে হাত নেড়েছিলেন, শেষে পদত্যাগই করে ফেললেন তৃণমূল নেতা

Trinamool Congress: সদ্য মেখলিগঞ্জ ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন উত্তম সরকার। পরেশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী দলকে পৈতৃক সম্পত্তির মতো পরিচালনা করছেন। গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলেও তাঁকে কোনও কর্মসূচি বা বৈঠকে ডাকা হয়নি বলে দাবি তাঁর।

TML Leader: শুভেন্দুকে দেখে হাত নেড়েছিলেন, শেষে পদত্যাগই করে ফেললেন তৃণমূল নেতা
কী বলছেন ওই তৃণমূল নেতা? Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 10, 2026 | 5:33 PM
Share

জলপাইগুড়ি: ভোটের আগে গোটা রাজ্যেই পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা করছে বিজেপি। এরইমধ্যে মেখলিগঞ্জে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার করেছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে দেখে হাত নাড়ান তৃণমূল নেতা। কিন্তু কে জানতো তাতেই তাঁর জন্য ঘনাতে চলেছে বড়সড় বিপদ। ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই ওই তৃণমূল নেতাকে লাগাতার কটাক্ষ করেই চলেছেন পরেশ অধিকারীর অনুগামীরা। এরইমধ্যে পরেশের বিরুদ্ধে ফরোয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ এনে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক অনুগামী ওই তৃণমূল নেতা। ভোটের মুখে এ নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তরজা। 

অভিযোগ শুনে হেসে উড়িয়ে দেন পরেশ অধিকারী। হাবেভাবে বুঝিয়ে দিলেন পদত্যাগী নেতাকে কোনওভাবেই গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। এদিকে ভোটের মুখে একেবারে বিধায়কের বিরুদ্ধে ফরোয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ এনে তৃণমূল সভাপতির ইস্তফার ঘটনায় স্বভাবতই অস্বস্তি বেড়েছে তৃণমূলের অন্দরে।  

সদ্য মেখলিগঞ্জ ব্লক তৃণমূলের সহ-সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন উত্তম সরকার। পরেশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী দলকে পৈতৃক সম্পত্তির মতো পরিচালনা করছেন। গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলেও তাঁকে কোনও কর্মসূচি বা বৈঠকে ডাকা হয়নি বলে দাবি তাঁর। দলে থেকেও প্রাপ্য সম্মান না পাওয়ার কারণেই তিনি জেলা সভাপতিকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। শুধু তাঁকেই নয়,  প্রতিলিপি গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও। 

যদিও উত্তমের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন যুব তৃণমূলের জেলা কমিটির সদস্য নরেশ চন্দ্র রায়। তিনি বলছেন, উত্তম সরকারের অভিযোগ মিথ্যা। বিজেপির দালাল বলে কটাক্ষ করে তাঁর আরও সংযোজন, দলে থেকে উনি দলের সব তথ্য বিজেপিকে পাচার করতেন। ওনার ফেসবুকই তার প্রমাণ। অন্যদিকে এই ইস্যুতে সুযোগ বুঝে পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে চাকরি দুর্নীতির বিষয়ে তোপ দেগেছেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য শ্যাম প্রসাদ। তিনি আবার ঘুরিয়ে ওই তৃণমূল নেতাকে বিজেপিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তা নিয়েও চলছে চাপানউতোর।