
জলপাইগুড়ি: কালবৈশাখীর তাণ্ডবে জলপাইগুড়িতে নিহত ৪। রবিবার সাংঘাতিক ঝড়ের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়েছে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। নিহতদের নাম দ্বিজেন্দ্রনারায়ণ সরকার (৫২), অনিমা রায় (৪৯), যোগেন রায় (৭০) ও সমর রায় (৬৪)। আহতের সংখ্যা শতাধিক। ঘটনার পর এক্স হ্যান্ডেলে শোকবার্তা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমএমসিসি গাইডলাইন মেনে প্রশাসনকে ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। অন্যদিকে আগামিকাল সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যাবেন জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে। সেখানে আহতদের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘রবিবার দুপুরে জলপাইগুড়ি-ময়নাগুড়ি এলাকায় ঝড়ের সঙ্গে ভারী বৃষ্টির খবর পেয়েছি। জীবনহানি, আহত, বাড়িঘরের ক্ষতি, গাছ-বিদ্যুতের পোল উপড়ে পড়েছে।’ জেলা ও ব্লক প্রশাসন, পুলিশ, ডিএমজি, কিআরটি এই বিপর্যয় মোকাবিলায় ময়দানে নেমেছে বলে জানান মমতা। সকলকে নিরাপদ স্থানে সরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’
ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ৬০ জনের বেশি চিকিৎসাধীন। এছাড়া জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও অনেকে ভর্তি। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলার বিভিন্ন ব্লক থেকে জরুরি ভিত্তিতে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে ডাক্তার পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন জলপাইগুড়ি মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক অসীম হালদার।
এই বিপর্যয়ের মধ্যে আবারও বিপদের পূর্বাভাস শুনিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী তিন ঘণ্টায় আবারও ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় হবে। ঘণ্টায় ঝড়ের গতিবেগ হবে ৩০-৪০ কিলোমিটার। জলপাইগুড়ির পাশাপাশি কালিম্পং, দার্জিলিংয়ের জন্যও এই পূর্বাভাস