Malda: জয় বাংলার চিকিৎসার নামে চোখ ঝাপসা করে প্রতারণা, বাবলু ‘ডাক্তারের’ নামে থানায় অভিযোগ গ্রামবাসীদের

Subhotosh Bhattacharya | Edited By: জয়দীপ দাস

Jul 29, 2023 | 2:34 PM

Malda:ইতিমধ্যেই ‘ডাক্তারের’ বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রতারিতরা। শোরগোল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের পিপলা গ্রামে।

Malda: জয় বাংলার চিকিৎসার নামে চোখ ঝাপসা করে প্রতারণা, বাবলু ‘ডাক্তারের’ নামে থানায় অভিযোগ গ্রামবাসীদের
জোর শোরগোল গোটা গ্রামে
Image Credit source: TV-9 Bangla

Follow Us

মালদহ: বর্ষার দাপট যতই বাড়ছে ততই যেন ঘরে ঘরে জয় বাংলা বা কনজাংটিভাইটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। ভিড় বাড়ছে চোখের ডাক্তারদের চেম্বারের সামনে। শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশেই একই অবস্থা। এবার এই কনজাংটিভাইটিস (Conjunctivitis Disease) সারানোর নামে প্রতারণার অভিযোগ মালদহে। কাঠগড়ায় হাতুড়ে ডাক্তার। অভিযোগ, চোখে ওষুধ দিয়ে দৃষ্টি ঝাসপা করে মোটা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ওই ডাক্তার। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল মালদহের (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুরের পিপলা গ্রামে। 

অভিযোগ, ডাক্তারির কোনও প্রথাগত ডিগ্রি ছাড়াই দীর্ঘদিন থেকে ‘অভিজ্ঞতার’ বলে চিকিৎসা করে চলেছেন হাতুড়ে ডাক্তার বাবলু চক্রবর্তী। এদিকে পিপলা গ্রামে বর্তমানে অনেকেই হয়েছেন জয় বাংলার শিকার। অভিযোগ, চিকিৎসা করাতে বাবলু ডাক্তারের কাছে গেলেই তিনি চোখে কয়েক ফোঁটা ওষুধের ড্রপ দিয়ে দিচ্ছেন। ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে চোখ। ফলে যে ওষুধ বা ‘প্রেসক্রিপশন’ দেওয়া হচ্ছে তা ভালভাবে পড়তে বা দেখতে পাচ্ছেন না রোগীরা। সেই সুযোগেই ওষুধের দাম বাড়িয়ে কখনও কখনও একশো টাকারও বেশি নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একাধিক রোগীর অভিযোগ, তাঁদের কাছ থেকে ৭২ টাকার ওষুধ ১৭২ টাকায়, ৮৬ টাকার ওষুধ ১৮৬ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। রোগীদের চোখ ঝাপসা করে দিয়ে দামের জায়গায় অভিযুক্ত ডাক্তার নিজেই নিজের ইচ্ছামতো দাম বসিয়ে দিচ্ছেন।

ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রতারিতরা। ঘটনায় গ্রামের এক বাসিন্দা বলছেন, “ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ নিয়ে বাড়ি আসি। বাড়ি এসে দেখি ওষুধের দাম ইচ্ছামতো বাড়িয়ে দিয়েছে। MRP-র উপরে ও নিজের মতো দাম বসিয়েছে। ২৭ টাকার ওষুধের জায়গায় লিখে দিয়েছে ১২৭ টাকা। এভাবে ও লোক ঠকিয়ে যাচ্ছে। এলাকার গরিব মানুষদের ঠকাচ্ছে। আমরা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানালে ও ক্ষমা চেয়েছে।” আর এক রোগীরও একই দাবি। তিনি বলছেন, ডাক্তারের কাছে যেতেই তাঁর চোখে ওষুধ দিয়ে দেওয়া হয়। তাতেই ঝাপসা হয়ে যায় দৃষ্টি। সেই সুযোগে বাড়ানো হয়েছে দাম।