Kalyani JNM Hospital: অনেকক্ষণ থেকে বেরচ্ছিল পচা গন্ধ, কল্যাণী JNM-এর হস্টেল থেকে ডাক্তরি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার
Nadia: মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র ছিলেন পুলক। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়। জানা গিয়েছে, ২০ তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে আর ঘর থেকে বেরননি পুলক। এমনকী ক্যান্টিনেও যাননি।

নদিয়া: ফের রাজ্যে আরও এক ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার। সম্প্রতি, দুর্গাপুরের বেসরকারি একটি কলেজ থেকে দ্বিতীয় বর্ষের ডাক্তারি পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছিল। তবে এবার আর বেসরকারি নয়, নদিয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালের হস্টেল থেকে উদ্ধার ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃতদেহ।
মৃত ছাত্রের নাম পুলক হালদার। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র ছিলেন পুলক। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটের ধামুয়ায়। জানা গিয়েছে, ২০ তারিখ হস্টেলের ক্যান্টিনে খেতে গিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে আর ঘর থেকে বেরননি পুলক। এমনকী ক্যান্টিনেও যাননি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলকের রুম থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হয়। গন্ধ পেয়ে হস্টেলের ছাত্ররা হাসপাতাল ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কল্যাণী থানার পুলিশ দরজা ভেঙে দেখতে পান বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন পুলক। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে। হস্টেলের বাকি আবাসিকদের থেকে জানা গিয়েছে, রুমে একাই থাকতেন পুলক। সামনের মাসে ৫ তারিখ থেকে পরীক্ষা শুরু। তার আগেই মৃত্যু হয় পুলকের। পরীক্ষার চিন্তা নাকি সম্পর্কের টানাপোড়েন? কেন এই ঘটনা? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। খবর দেওয়া হয়েছে বাড়িতে।
কলেজ অফ মেডিসিন অ্যান্ড জেএনএম হাসপাতালের ডাক্তার মনিদীপ পাল বলেন, ” “দুপুর দুটো আড়াইটে নাগাদ জানতে পেরেছি। পুলিশকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়েছে। ঘর খোলা হয়েছে। তখনই দেহ উদ্ধার হয়েছে।”
