Jamuria Election: ঢাক-ঢোল নিয়ে প্রচারে যেতেই আদিবাসীদের প্রশ্নের মুখে তৃণমূল-বিজেপি প্রার্থীরা, ফিরতে হলেই কিছু না বলেই
Jamuria Election: মহিলারা বিজেপি কর্মীদের বলেন, "ছ'মাস ধরে জল নেই, কিনে খেতে হচ্ছে। স্ট্রিট লাইট নেই, ঘর নেই। যখন দরকার ছিল তখন কেউ আসেনি, এখন ভোট এসেছে বলে পতাকা লাগাতে এসেছ?" বিজেপি নেতৃত্ব গ্রামবাসীদের এরপর বোঝানোর চেষ্টা করে, দীর্ঘ পনেরো বছরের তৃণমূল শাসনেই এই বঞ্চনা। শিক্ষিত প্রার্থী বিজন মুখোপাধ্যায়কে জেতানোর আর্জি জানিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রচার সারেন তাঁরা।

জামুড়িয়া: ভোটের আবহে তপ্ত আসানসোলের জামুড়িয়া। কিন্তু এবার ইস্যু রাজনৈতিক লড়াই নয়,বরং সাধারণ মানুষের জীবন যন্ত্রনার সমস্যা। পশ্চিম বর্ধমানের জামুরিয়ার বৈরাগীবাগান এলাকায় আদিবাসী মহিলাদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েন বর্তমান বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী হরেরাম সিং। পাঁচ বছর কেন এলাকায় দেখা যায়নি? মহিলাদের এই ধারাল প্রশ্নে রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পড়েন শাসকদলের প্রার্থী। কেন গত পাঁচ বছরে উন্নয়ন হয়নি? সেই প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই কার্যত এলাকা ছাড়েন তৃণমূল প্রার্থী।
কিন্তু পরিস্থিতি শুধু তৃণমূলের জন্য কঠিন ছিল না। একই দিনে বিজেপি প্রার্থীও বাধার মুখে পড়েন ভিন্ন আদিবাসী গ্রামে। জামুড়িয়ার জোরজোনাকি আদিবাসী গ্রামে প্রচারের আগেই কার্যত বাধার মুখে পড়ে বিজেপিও। প্রার্থী আসবেন। তাই পতাকা দিয়ে সাজানো হচ্ছিল গ্রামের পথ। তাই দেখে গ্রামের মহিলারা আওয়াজ তোলেন পানীয় জল ও শৌচাগারের মতো ন্যূনতম পরিষেবা না পেলে গ্রামে প্রচার চলবে না। মহিলারা বিজেপি কর্মীদের বলেন, “ছ’মাস ধরে জল নেই, কিনে খেতে হচ্ছে। স্ট্রিট লাইট নেই, ঘর নেই। যখন দরকার ছিল তখন কেউ আসেনি, এখন ভোট এসেছে বলে পতাকা লাগাতে এসেছ?” বিজেপি নেতৃত্ব গ্রামবাসীদের এরপর বোঝানোর চেষ্টা করে, দীর্ঘ পনেরো বছরের তৃণমূল শাসনেই এই বঞ্চনা। শিক্ষিত প্রার্থী বিজন মুখোপাধ্যায়কে জেতানোর আর্জি জানিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রচার সারেন তাঁরা।
