TMC Strong Room Monitoring: স্ট্রংরুমে পর্যবেক্ষণে তৈরি হয়ে গেল প্রতিনিধি দল, পূর্ব বর্ধমানে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
TMC strong room monitoring Purba Bardhaman: ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত ব্যবহার হয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় বিরোধীদের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হয়েছে। তাঁর কথায়, "সিআরপিএফ, সিআইএসএফ-সহ বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। তারপরেও মানুষ তাদের জবাব দিয়েছে।"

পূর্ব বর্ধমান: গণনার আগে পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস জেলার স্ট্রংরুম পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিনিধি দল গঠন করেছে। পূর্ব বর্ধমানের দায়িত্বে রয়েছেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি তথা মেমারি বিধানসভার প্রার্থী রাসবিহারী হালদার। রবিবার তাঁরা জেলার বিভিন্ন স্ট্রংরুম পরিদর্শনে যান।
সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেন, “স্ট্রংরুম নিয়ে যেসব অভিযোগ সামনে আসছে, তা নিয়ে তাঁর কোনও সন্দেহ নেই। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ২৫০-র বেশি আসন জিতবে। বিজেপি তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে।”
ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত ব্যবহার হয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় বিরোধীদের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হয়েছে। তাঁর কথায়, “সিআরপিএফ, সিআইএসএফ-সহ বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। তারপরেও মানুষ তাদের জবাব দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “বিজেপি শিক্ষা, বেকারত্ব ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নীরব থেকেছে। মানুষ উন্নয়ন দেখেছে। দিদির কাজ মাঠে দেখা যায়, সেই কারণেই মানুষ তৃণমূলের পাশেই রয়েছে।”
পূর্ব বর্ধমান জেলার বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী কীর্তি আজাদ জানান, ১৬টির মধ্যে ১৬টিই আমাদের দখলে আসবে। তার দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের উপর অত্যাচার হয়েছে।
বিজেপির বুলডোজার রাজনীতি প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে কীর্তি আজাদ বলেন, “দিদির শাসনে এমন কোনও বুলডোজার চলে না। ধনী-গরিব সবাই সমানভাবে বাস করে, সবার জন্যই কর্মসূচি রয়েছে।”
