Indian Navy: জ্বলছে প্রতিবেশী বাংলাদেশ, হলদিয়ায় বড় পরিকল্পনা ভারতীয় নৌসেনার
Indian Navy new base in Haldia: ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পর থেকে অশান্ত বাংলাদেশ। আবার কিছুদিন আগে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে খুনের পর নতুন করে আগুন ছড়িয়েছে পদ্মাপারের দেশে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার মৌলবাদীদের থামাতে কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ উঠছে।

কলকাতা: বিক্ষোভের আগুনে ফের জ্বলছে প্রতিবেশী বাংলাদেশ। আর পদ্মাপারের দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের একটা বিস্তীর্ণ অংশ আন্তর্জাতিক সীমানা ভাগ করেছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার বড় পদক্ষেপ করল ভারতীয় নৌসেনা। কলকাতার কাছে হলদিয়ায় ঘাঁটি তৈরিতে তৎপর হয়েছে নৌসেনা। এই ঘাঁটি তৈরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের ছাড়পত্র পাওয়া গিয়েছে। দ্রুত হামলা করা যায় এমন ছোট মাপের রণতরী এই ঘাঁটিতে মোতায়েন থাকবে।
জানা গিয়েছে, হলদিয়ায় নৌসেনার এই ঘাঁটির নাম ঠিক না হলেও কাজ চলছে জোরকদমে। ১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতি বিশিষ্ট ছোট রণতরী এখানে মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি রণতরী-ই হামলায় পারদর্শী। রণতরীতে থাকবে মেশিনগান। সবমিলিয়ে ১০০ জন নৌসেনা আধিকারিক এই ঘাঁটি সামলাবেন।
২০২৪ সালের ৫ অগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পর থেকে অশান্ত বাংলাদেশ। আবার কিছুদিন আগে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে খুনের পর নতুন করে আগুন ছড়িয়েছে পদ্মাপারের দেশে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার মৌলবাদীদের থামাতে কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ উঠছে।
আবার অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতা বাড়িয়ে চলেছেন ইউনূস। বাংলাদেশে নিজেদের প্রভাব গত এক দশক থেকে বাড়ানোর চেষ্টা করছে বেজিং। বাংলাদেশের নৌসেনাকে ইতিমধ্যে দুটি সাবমেরিন দিয়েছে তারা। সাবমেরিনের জন্য চট্টগ্রামে একটি ঘাঁটিও তৈরি করছে। বাংলাদেশে বারবার পাক ও চিনা যুদ্ধজাহাজ এসে নোঙর ফেলছে। সেদিকেও কড়া নজর রয়েছে ভারতীয় নৌসেনার। তাই বাংলাদেশের নিকটবর্তী হলদিয়ায় ঘাঁটি নির্মাণ করছে। সেনার একটি সূত্র জানিয়েছে, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে যাতে প্রাথমিক পদক্ষেপে দেরি না হয়, সে কারণেই হলদিয়াতে নৌসেনার ঘাঁটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
