Nandigram: যজ্ঞ করলেই মিলবে সম্পত্তি, ছেলে ভাল পড়াশোনা করবে, জ্যোতিষীর কথা বিশ্বাস করতেই অবিশ্বাস্য ঘটনা
Purba Medinipur: দিপালীর কথা অনুযায়ী, দু'টো হাড় ও কিছু চাল নিয়ে মহিলার চারিদিকে বিভিন্ন মন্ত্র বলে ঘুরিয়ে মহিলাকে তাঁকে বলা হয় এই মাটির পাত্র বাড়ির মধ্যে রেখে দিতে। এবং বিকেল চারটের দিকে জ্যোতিষী নিজে এসে বের করবেন। কয়েক ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পরে জ্যোতিষীকে যখন মহিলা ফোন করেন, তখন জ্যোতিষীর ফোন সুইচ অফ আসে। সন্দেহ হতে প্রতিবেশীদের খবর দেন।

নন্দীগ্রাম: বাড়িতে যজ্ঞ করলেই মিলবে শান্তি। ছেলে আরও ভাল পড়াশোনা করবে। গৃহে লক্ষ্মী লাভ হবে। এমনই বলেছিলেন জ্যোতিষী। সেই মতো যজ্ঞও হয়েছিল। আর সেই যজ্ঞ হতেই ভয়ানক ঘটনা। বেশ কিছু গহনা ও টাকা নিয়ে চম্পট দিল অভিযুক্ত। ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শিমুল কুন্ডু গ্রামে।
এলাকার বাসিন্দা দিপালী মণ্ডল নামের এক গৃহবধুর অভিযোগ, বেশ কয়েকদিন আগে তিনি খেজুরি থানায় এলাকায় তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানেই পরিচয় হয়েছিল ওই জ্যোতিষীর সঙ্গে। মহিলার দাবি, ওই জ্যোতিষী তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর ছেলে ভাল পড়াশোনা করবে। পরিবারের শান্তি ফিরে আসবে। বাড়িতে গিয়ে হোম যজ্ঞ করতে হবে। সেই মতো রবিবার সকালে ১০ টা নাগাদ মহিলাকে ফোন করেন ওই জ্যোতিষী। মহিলাকে ফোন করে বাড়িতে চলে আসেন।
মহিলা জানান, অভিযুক্ত তাঁকে হাড়ির মধ্যে ৭ গ্রাম সোনা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে মহিলা তা জোগাড় করতে পারেননি। তার হাতের কিছু গহনা ছিল, সেই গহনা খুলে একটা কাপড়ে বেঁধে জ্যোতিষীর হাতে দেন। মহিলার অভিযোগ, জ্যোতিষী সেই কাপড়ে মোড়া গহনাগুলি একটা মাটির ভাড়ে রাখেন। তারপরে তার উপরে একটা বিষধর সাপ রেখে দেন।
দিপালীর কথা অনুযায়ী, দু’টো হাড় ও কিছু চাল নিয়ে মহিলার চারিদিকে বিভিন্ন মন্ত্র বলে ঘুরিয়ে মহিলাকে তাঁকে বলা হয় এই মাটির পাত্র বাড়ির মধ্যে রেখে দিতে। এবং বিকেল চারটের দিকে জ্যোতিষী নিজে এসে বের করবেন। কয়েক ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পরে জ্যোতিষীকে যখন মহিলা ফোন করেন, তখন জ্যোতিষীর ফোন সুইচ অফ আসে। সন্দেহ হতে প্রতিবেশীদের খবর দেন। তাঁরা এসে ওই মাটির ভাড় ভাঙতে মাটির দুটো হাড় এবং একটা সাপ বেরিয়ে আসে। গায়েব হয়ে যায় সোনা। মহিলা তখন বুঝতে পারেন, তাঁর সঙ্গে প্রতারণা হয়েছে। তাঁর গহনা এবং এক হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে অভিযুক্ত। থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ করবেন বলে জানান প্রতারিত মহিলা।
