Hormuz Underwater Mines: হরমুজ খুলেছে, কিন্তু জলের নীচে মৃত্যুফাঁদ! কীভাবে ঢুকবে তেলের জাহাজ?
Strait of Hormuz Crisis: মাইন বিছিয়ে রাখার এই দাবি অস্বীকার করেনি ইরান সরকার বা সে দেশের সেনাবাহিনীও। বরং ইরান সরকারের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, হরমুজে ইরান আর্মড ফোর্স-এর সঙ্গে সহযোগিতা (co-ordination) করেই জাহাজ চলাচল করাতে হবে।

তেহরান: হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলছে, কিন্তু বিপদ কমেনি। কোনও জাহাজ এগোতেই ভয় পাচ্ছে। কেন? জাহাজের চলাচলের রুটে সামান্য এদিক-ওদিক হলেই বিরাট বিপদ হয়ে যাবে। ধ্বংস হয়ে যাবে সবকিছু। তার কারণ, হরমুজ প্রণালীতে বিছিয়ে রাখা আছে আন্ডার ওয়াটার মাইন (Underwater Mine)!
মানচিত্রে চার্ট প্রকাশ করে এই দাবি করেছে ইরানের সংবাদ সংস্থা ইসনা (ISNA)। জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে জলের নীচে ছড়িয়ে রয়েছে মারণ ফাঁদ। ভুল করলেই হবে বিস্ফোরণ। জ্বালানি ভর্তি জাহাজে বিস্ফোরণ হলে, তা কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে, তা বলার প্রয়োজন রাখে না।
মাইন বিছিয়ে রাখার এই দাবি অস্বীকার করেনি ইরান সরকার বা সে দেশের সেনাবাহিনীও। বরং ইরান সরকারের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, হরমুজে ইরান আর্মড ফোর্স-এর সঙ্গে সহযোগিতা (co-ordination) করেই জাহাজ চলাচল করাতে হবে।
ইরানের রেভেনিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, জাহাজগুলির এই রুট এড়িয়ে চলা শ্রেয়। হরমুজ প্রণালীতে কোথা থেকে ঢুকলে এবং বেরলে জলের নীচে থাকা মাইনগুলি এড়ানো যাবে, সেই তথ্যও দিয়েছে তারা। অনুরোধ করেছে, সমস্ত জাহাজ যেন তাদের কথা মেনেই চলে। তাদের বলা রুট ধরেই চলাচল করে।
কূটনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, পাকিস্তানের উদ্যোগে শান্তি বৈঠকের আগে আমেরিকা-ইজরায়েলের উপর চাপ তৈরি করে রাখতেই এ হেন খবর প্রচার করছে ইরান। অন্যদিকে, হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কঠোর অবস্থানে অনড় হয়ে রয়েছেন ট্রাম্পও।
ইরানের তরফে হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হলেও, ভারত সরকার সূত্রে খবর এখনও জাহাজ চলাচলের কোন খবর নেই। তাই যুদ্ধ আপাতত থামলেও হরমুজ প্রণালীর জট সম্পূর্ণ কাটেনি, তা বলাই চলে।
