Cyclone Mokha: ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’-য় বিপদে পড়তে পারে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা, উদ্বেগ WHO-র

WHO: শরণার্থী শিবিরের কাছে সমস্ত আপৎকালীন পরিষেবা প্রস্তুত রাখারও আবেদন জানানো হয়েছে। মোবাইল মেডিক্যাল টিম, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা সহ অন্যান্য জরুরি পরিষেবাগুলির ব্যবস্থা রাখার জন্য় আবেদন জানিয়েছেন টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস।

Cyclone Mokha: ঘূর্ণিঝড় মোখা-য় বিপদে পড়তে পারে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা, উদ্বেগ WHO-র
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

| Edited By: Sukla Bhattacharjee

May 14, 2023 | 1:51 AM

জেনেভা: আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশ ও মায়ানমার উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ (Mokha)। এই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার। ফলে বাংলাদেশের (Bangladesh) কক্সবাজার ও মায়ানমারের (Myanmar) সিতওয়ে উপকূল তছনছ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্কতা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের শরণার্থীদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করবেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস।

WHO-প্রধানের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বাংলাদেশে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী ত্রাণ শিবিরে বসবাস করেন। আবার মায়ানমারেও বহু শরণার্থী ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। ফলে ঘূর্ণিঝড় মোখা-র জেরে যে সেই অস্থায়ী ত্রাণ শিবিরের উপর বিপদ আগে আসতে পারে এবং শরণার্থীরা যে সমস্যায় পড়বেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শরণার্থীদের কথা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সমস্ত বন্দোবস্ত করারও আবেদন করেছেন হু-র প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস।

এদিন, মোখা আছড়ে পড়ার প্রাক্কালে হু-র তরফে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের উপকূলবর্তী ত্রাণ-শিবির থেকে শরণার্থীদের যেমন অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে, তেমনই শরণার্থী শিবিরের কাছে সমস্ত আপৎকালীন পরিষেবা প্রস্তুত রাখারও আবেদন জানানো হয়েছে। মোবাইল মেডিক্যাল টিম, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা সহ অন্যান্য জরুরি পরিষেবাগুলির ব্যবস্থা রাখার জন্য় আবেদন জানিয়েছেন টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস।

প্রসঙ্গত, রবিবার সকালেই কক্সবাজার ও সিতওয়ে উপকূলে আছড়ে পড়বে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মোখা। ইতিমধ্যে কক্সবাজার উপকূল ও সংলগ্ন এলাকায় জারি করা হয়েছে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত। ঝুঁকি এড়াতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সাগর উপকূল থেকে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। টেকনাফ, উখিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া, চকরিয়া, ঈদগাঁও, রামু ও কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। বহু মানুষকে ইতিমধ্যেই সেখানে সরিয়ে আনা হয়েছে।