অবশেষে এসে গেল সেই মুহূর্ত। আজই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের (Nirmala Sitharaman) হাত ধরে পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২ (Union Budget 2022)। আগামী অর্থবর্ষের নাড়ি-নক্ষত্র স্থির হয়ে যাবে এই বাজেটের মাধ্যমেই। কোন খাতে কত বরাদ্দ বাড়ল বা কোন পণ্যের কত দাম বাড়ল বা কমল, সবই জানা যাবে কেন্দ্রীয় বাজেটে। এবারের বাজেটে বিশেষ জোর দেওয়া হতে পারে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। একইসঙ্গে বিশেষ গুরুত্ব পাবে কৃষি ও শিল্পক্ষেত্রও। করোনাকালে দেশের চরম কর্মসঙ্কট দেখা দেওয়ায়, এবারের বাজেটে কর্মসংস্থান নিয়ে কোনও ঘোষণা করা হয় কিনা, তার উপর নজর থাকবে। অন্যদিকে, আয়কর নিয়েও রয়েছে বহু প্রত্যাশা। এবারে আয়করে কোনও ছাড় ঘোষণা করা হয় কিনা, তাও নজরে থাকবে। বাজেট সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট দেখে নিন একনজরে-
মঙ্গলবারে রাতে আমতায় আনিস খানের দাদার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কথা বলেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন, “পুলিশ মন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ খুন করেছে আনিস খানকে। পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আনিসকে শায়েস্তা করতে গিয়েছিল পুলিশ।”
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অর্থমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের করের হাস ১০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১৪ শতাংশ করা হবে। কেন্দ্র-রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।.
বিস্তারিত পড়ুন: Budget 2022: ভুল সংশোধন করার জন্য মিলবে ২ বছরের সময়, আয়কর নিয়ে কী কী ঘোষণা হল নির্মলার বাজেটে?
বাজেটে অন্যতম প্রত্যাশা ছিল কর্মসংস্থান। এদিন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, আগামী পাঁচ বছরে ৬০ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
আয়কর ছাড় নিয়ে অনেক প্রত্যাশা থাকলেও, অর্থনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখতে আয়কর কাঠামোতে কোনও বদল হবে না বলেই জানালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ব্যক্তিগত কর কাঠামোও একই থাকবে বলে তিনি জানান।
এমন যন্ত্রপাতি যেগুলি ভারতে তৈরি হয় তাদের উৎসাহ দিতে কাস্টম ডিউটি বাড়ানো হল। দেশে তৈরি কৃষি যন্ত্রপাতি সস্তা হবে। সস্তা হবে পোশাক, চর্মজাত দ্রব্য, মোবাইল ফোন, চার্জার।
করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে স্টার্টআপ ব্যবস্থায় বিশেষ ঘোষণা করা হল। স্টার্টআপ সংস্থাগুলিকে আরও এক বছরের করে ছাড় দেওয়া হল। অন্যদিকে, ডিজিটাল সম্পত্তিতে বসছে কর, নতুন অর্থবর্ষ থেকে এই কর দিতে হবে।
বিশেষ ভাবে সক্ষমদের জন্য করছাড়ের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। আয়করে ছাড় দেওয়া হচ্ছে পেনশনভোগীদের, জাতীয় পেনশন প্রকল্পে করে ছাড় বেড়ে হল ১৪ শতাংশ। ডিজিটাল সম্পত্তির লেনদেনে ৩০ শতাংশ আয়কর।
জিএসটির ক্ষেত্রে এখনও কিছু সমস্যা রয়েছে। খুব শীঘ্রই জিএসটি সংক্রান্ত সমস্যা দূর করা হবে। জানুয়ারিতে জিএসটি আয়ে রেকর্ড। জিএসটি বাবদ জানুয়ারিতে আদায় ১ লক্ষ ৪১ হাজার কোটি টাকা। জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে এটিই সব থেকে বেশি আয়।
সারচার্জ কমানো হচ্ছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে। কর্পোরেট ট্যাক্স ১৮ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ কমানো হল। কো-অপারেটিভগুলির সারচার্জ কমল। সারচার্জ ১২ শতাংশ থেকে কমে ৭ শতাংশ হল। কিছু কিছু জায়গায় কর ছাড় দেওয়া হল। বিশেষভাবে সক্ষমদের বাড়তি কর ছাড়। ক্রিপ্টো কারেন্সিতে আয়ে ৩০ শতাংশ কর। পিপিএফে বিশেষ সুবিধা।
তথ্য নথিকরণ ব্যবস্থার সুবিধার জন্য ওয়ান নেশন, ওয়ান রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থার সূচনা করা হবে। জমির রেকর্ড রাখতে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার। কৃষিকাজের সহায়তায় ড্রোনের ব্যবহার। ব্যাটারিচালিত পরিবহণ ব্যবস্থার উদ্যোগ। ব্যাটারির চার্জিং সেন্টার বাড়ানো হবে।
সমস্ত করদাতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানালেন কর ব্যবস্থার সরলীকরণ করা হবে। প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার সংস্কারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। করদাতারা আপডেটেড রিটার্ন ফাইল করতে পারবেন ২ বছরের মধ্যে।
ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবস্থাতেও জোর দিল কেন্দ্র। চলতি বছর থেকেই বাজারে ডিজিটাল মুদ্রা আনবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।
আধুনিক প্রযুক্তি ভর করেই স্বপ্নের উড়ান অর্থনীতির। ই-পাসপোর্ট সিস্টেমে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ জোর। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্যান্ড পরিষেবাতেও জোর দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সব গ্রামে অপটিকাল ফাইবার বসবে। ভারত নেট প্রকল্পে জোর। ৫জি পরিষেবার পরিকাঠামোয় জোর। মার্চ মাসের মধ্যে দেশে ৫জি স্পেকট্রাম নিলাম শুরু হবে। প্রতিরক্ষা খাতে গবেষণার জন্য ২৫ শতাংশ বরাদ্দ বাজেট।
অ্যানিমেশন, কমিকস, গেমিংয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।বিভিন্ন ক্ষেত্রে পেমেন্টের জন্য ই-বিল ব্যবস্থা চালু হবে। ব্যবসার উন্নতিতে সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম, একটি ফর্মে সমস্ত অনুমোদন সম্ভব হবে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অত্যাধুনিক পরিকাঠামোয় জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। দেশে চারটি কোল গ্যাস পাইলট প্রকল্প চালু হবে। জোর দেওয়া হবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে। সৌরবিদ্যুতে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা আর্থিক বরাদ্দের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।
সমস্ত মন্ত্রকেই ই-বিল চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্র। জমির রেকর্ড রাখতেও ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার করা হবে। ব্যাটারিচালিত পরিবহণ ব্যবস্থার উদ্যোগ। নগর পরিকল্পনায় বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন। উত্তর পূর্বের উন্নয়নে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
২ লক্ষ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উন্নয়নের কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি জানান, করোনা অতিমারিতে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় জোর। ন্যাশনাল টেলিমেন্টাল হেলথ সেন্টার তৈরি হবে। দেশজুড়ে ২৩টি হেলথ সেন্টার তৈরি হবে।
চলতি বছরেই দেশজুড়ে চালু হবে অনলাইনে পোস্ট অফিস। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির জন্য এই বিশেষ প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। গ্রামের পরিকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করা হল। ৮০ লক্ষ বাড়ি তৈরির লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে এই যোজনায়র অধীনে। এছাড়াও পানীয় জলে ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।
অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের ৭৫টি জেলায় ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং কেন্দ্র হবে। উত্তর পূর্বের উন্নয়নে নয়া প্রকল্প আনা হচ্ছে। এছাড়াও করোনা অতিমারিতে ছোটদের পড়াশোনার যে বিপুল ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতি সামলাতে বিশেষ টিভি চ্যানেল আনা হচ্ছে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য এই টিভি চ্যানেলে নানা অনুষ্ঠান দেখানো হবে।
শেয়ারবাজারে জীবন বিমা নিগমের আইপিও আনার কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা অতিমারির সময়ে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। তাদের জন্য গ্যারান্টি কভার ৫০ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ কোটি টাকা করা হল। এটি শুধুমাত্র হসপিটালিটি ও তার সঙ্গে যুক্ত পরিষেবার জন্য।
এদিন অর্থমন্ত্রী জানান, দেশে তৈলবীজ উৎপাদন বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য কৃষকদের ৭ লক্ষ কোটি টাকা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দেওয়া হবে। সেচ ও পানীয় জলের জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করা হচ্ছে। কৃষির আধুনিকীকরণে জোর। ২.৩৭ লক্ষ কোটি টাকার এমএসপি দেওয়া হবে। এছাড়া গঙ্গা উপত্যকা এলাকায় প্রাকৃতিক চাষে অর্থাৎ রাসায়নিকের ব্যবহার না করে চাষাবাদে জোর দেওয়া হবে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে মিলেট চাষে। এমএসএমইতে ২ লক্ষ কোটি বাড়তি বরাদ্দ করা হচ্ছে।
দেশের পার্বত্য এলাকাগুলিতেও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। যাতায়াত সুগম করার জন্য পিপিপি মডেলে তৈরি হবে রোপওয়ে, এমনটাই জানালেন অর্থমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ৪০০ নিউ জেনারেশন বন্দে ভারত ট্রেন আনা হবে আগামী তিন বছরে। ১০০টি পিএম গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল তৈরি হবে তিন বছরে।
এই বাজেটে বিশেষভাবে উপকৃত হবে মহিলা, কৃষক, যুব, তফশিলী জাতি ও উপজাতির মানুষেরা।
দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে ডিজিটাল ইকোনমিতে জোর দেওয়ার কথা বললেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২১-২২ এর বাজেট লগ্নিতে গতি এনেছে। আর্থিক বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.২ শতাংশ। পিএম গতিশক্তি মাস্টার প্ল্যানের লক্ষ্য উন্নয়ন। সাত ইঞ্জিনে ভর করে এগোবে পিএম গতিশক্তি।
দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বললেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশে ওমিক্রনের ঢেউ চলছে বর্তমানে। তবে টিকাকরণেও এগিয়ে চলেছি আমরা। আমাদের দেশের টিকাকরণের গতিই দ্রুত সুস্থতার পথ দেখাচ্ছে। ‘সবকা সাথ, সবকা প্রয়াস’-এর হাত ধরে আমরা এগিয়ে যাব বলে আমার বিশ্বাস।”
দেশের কর্মসংস্থান বাড়াতে আত্মনির্ভরতার বার্তাই দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, “আত্মনির্ভর ভারতে বিপুল কর্মসংস্থান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই বাজেটই আগামী ২৫ বছরের আর্থিক দিশা দেখাবে।”
বাজেটের শুরুতেই কেন্দ্রের লক্ষ্য সাফভাবে জানিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, “আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য হল দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষদের আর্থিক সাহায্য করা।”
সংসদে বাজেট পেশ শুরু করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। শুরুতেই করোনা অতিমারিতে যারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাঁদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করলেন অর্থমন্ত্রী।
লোকসভায় বাজেট পেশ শুরু করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
সামনেই উত্তর প্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড সহ ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এমন সময়েই পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট। ভোটমুখী রাজ্যগুলির কথা মাথায় রেখে রাজস্ব ঘাটতি নিয়ে কোন পথে হাঁটে কেন্দ্র, তাই-ই এখন দেখার। গত বছর রাজকোষে ঘাটতি ছিল ২২৪ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৬.৮ শতাংশ। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৩ শতাংশ। ভোটমুখী রাজ্যগুলির কথা মাথায় রেখে যদি বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো হয়, তবে রাজকোষে ঘাটতি আরও বাড়বে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। কেন্দ্রের গদি ধরে রাখতে বৃহত্তর চিত্রের কথাই ভাবতে হবে সরকারকে, সেক্ষেত্রে রাজকোষে ঘাটতি কমানোই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মনে করেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। শেষ অবধি কেন্দ্র কোন পথে হাঁটে, তাই-ই এখন দেখার।
করোনা সংক্রমণ এসে দেশের স্বাস্থ্যপরিকাঠামোর দুর্বল দশাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল। গতবারের বাজেটে তাই স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছিল বিপুল পরিমাণে। গত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ছিল ৭৪,৬০২ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ০.৩৩ শতাংশ ছিল। বছর পার হলেও বিপদ কাটেনি করোনার, বরং নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের উৎপত্তির কারণে আরও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার প্রয়োজনীয়তাই বোঝা গিয়েছে। একইসঙ্গে দেশে টিকাকরণ বিনামূল্যে গণ টিকাকরণ কর্মসূচিও চলছে। প্রিকশন ডোজ়ও দেওয়া শুরু হয়েছে। এই সমস্ত দিকগুলি মাথায় রেখেই এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে কত টাকা বরাদ্দ করা হয়, তার দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।
সংসদে বাজেট পেশের আগেই প্রয়োজন মন্ত্রিসভার অনুমোদন। সংসদে পৌঁছনোর পরই অর্থমন্ত্রী মন্ত্রিসভায় বাজেট পেশ করেন এবং তা অনুমোদনও পেয়ে যায়।
করোনা মহামারির সঙ্গে লড়াই করছে দেশের অর্থনীতি। হাল ফেরাতে ভরসা বাজেট। গতবছরে কোন খাতে কত বরাদ্দ ছিল, তা দেখে নেওয়া যাক একনজরে-
১. গত বছর শিক্ষাখাতে বরাদ্দ করা হয়েছিল ৯.৩২ লক্ষ কোটি টাকা। দেশের মোট জিডিপির ০.৪২ শতাংশ ছিল এই বরাদ্দ।
২. মূলধনী খাতে বরাদ্দ করা হয়েছিল ৫.৫৪ লক্ষ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ২.৪৭ শতাংশ ছিল।
৩. প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছিল ৩.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা। এটি দেশের মোট জিডিপির ১.৫৫ শতাংশ ছিল।
সংসদে এসে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আর কিছুক্ষণ পরই পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২। ইতিমধ্য়েই সংসদে এসে পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। পাশাপাশি এসে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রেলমন্ত্রী অশ্বীনী বৈষ্ণব, সংসদীয় বিষক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী।
রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে সংসদে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী ডঃ ভগবত কিষাণরাও কারাদ ও পঙ্কজ চৌধুরী।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাজেট পেশ করা হলেও, বাজেট পত্রের কাগজের কপিও রাখা হয়েছে এই বছরের। ইতিমধ্যেই সংসদ ভবনে এসে পৌঁছেছে সেই বাজেটপত্রের কপি। যাবতীয় সুরক্ষাবিধি অনুসরণ করে তা সংসদ ভবনের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বাজেট পেশ করার আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ও অর্থ প্রতিমন্ত্রী ডঃ ভগবত কিষাণরাও কারাদ ও পঙ্কজ চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রকের বাকি আধিকারিকেরাও।
বাজেটের ঘোষণার দিকেই আজ সারাদিন তাকিয়ে থাকবে দালাল স্ট্রিট। এদিন সকালে বাজার খুলতেই সেনসেক্সের সূচকে ৫৮২.৮৫ অঙ্ক বৃদ্ধি হয়। নিফটিও ১৫৬.২০ অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করার আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করতে এলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ইতিমধ্যেই তিনি অর্থমন্ত্রক থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন।
বাজেট হাতে অর্থমন্ত্রক থেকে বের হলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারও তিনি পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন। সেই কারণে লাল কভারে মোড়া ট্যাব হাতেই দেখা গেল তাঁকে।
আজ ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তার আগে সংসদে পেশ করা হল আর্থিক সমীক্ষা। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের পর লোকসভায় ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষের হিসেব নিকেশ পেশ করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের (এপ্রিল ২০২২ থেকে মার্চ ২০২৩) জন্য দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধি ৮-৮.৫ শতাংশ থাকবে। গত অর্থবর্ষে (এপ্রিল ২০২১ থেকে মার্চ ২০২২) এই হার ছিল ৯.২ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এই বছর দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার হার কম রাখা হয়েছে। মহামারী সত্ত্বেও ভারত চলতি অর্থবছরে (২০২১-২০২২) ৯.২ শতাংশ বৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। বিশ্বের দ্রুততম অর্থনীতি হিসাবে বৃদ্ধি পেতে চলেছে ভারত।
এবারও পেপারলেস বাজেট পেশ হতে চলেছে। সংস্পর্শ এড়াতে মোটা বাজেট নথি নয়, নিজস্ব মোবাইলেই দেখা যাবে বাজেট। ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ (Union Budget Mobile App)-এ দেওয়া হবে পুরো বাজেট। লোকসভায় বাজেট পেশ হওয়ার পরই ওই অ্যাপ থেকে পুরো বাজেট ডাউনলোড করা যাবে।
সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। সেই বক্তৃতার সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাবে সংসদ টিভিতে। পাশাপাশি লোকসভা টিভির ইউটিউব চ্যানেলেও দেখা যাবে সেই সম্প্রচার। আপডেট পাওয়া যাবে টুইটারে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি (PIB)- র ইউটিউব চ্যানেলেও বাজেট সম্প্রচার হবে। এছাড়া TV9 বাংলার লাইভ টিভিতেও সরাসরি বাজেট সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট দেখা যাবে।
সোমবারই সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কথা বলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এম বেঙ্কাইয়া নাইডু। চলতি বাজেট অধিবেশনে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের, সেই বিষয়েও আলোচনা করা হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিযুষ গোয়েল জানান, যেহেতু এবারের বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশের মেয়াদ ছোট, সেই কারণে এই অংশে কোনও আইনি প্রস্তাব বা বিল পেশ করা হবে না। তিনি আরও জানান, বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশে রাজ্যসভায় কেবল দুবারই বিতর্ক আলোচনার সুযোগ থাকবে, রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও কেন্দ্রীয় বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করার পর।
বিস্তারিত পড়ুন: Budget 2022: অধিবেশনের প্রথম ভাগে প্রণয়ন হবে না কোনও আইন, জানাল কেন্দ্র
২০১৮ সালের অর্থ আইনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চেপেছিল দীর্ঘমেয়াদী মূলধনে কর বা লং টার্ম ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স। এই আইনের জেরে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছিল বিনিয়োগকারীদের মনোবল। বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতিতে এই দীর্ঘ মেয়াদী মূলধন করের কোনও অস্তিত্ব নেই, ভারতেও অর্থনীতিককে ঘুরে দাঁড়াতে এই কর থেকে মুক্তির দাবিই জানিয়েছেন বিনিয়োগকারী-অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।
বিস্তারিত পড়ুন: Budget 2022: করোনার ধাক্কা সামলাতে বাজেটে কোন কোন ক্ষেত্রে থাকবে বিশেষ নজর, জেনে নিন…
কেন্দ্রীয় বাজেটে এবার অন্যতম আকর্ষণ ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে সরকারের অবস্থান। গত বছরই আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্রিপ্টোকারেন্সির ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। সূত্র মতে, ভারতে নিষেধাজ্ঞা জারি বা বিশেষ কোনও নিয়মের আওতায় আনা হতে পারে এই ডিজিটাল অর্থনীতিকে। আগামী অর্থবর্ষের বাজেটে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান ও তার উপর কর সম্পর্কে জানতে দেশবাসী।
দেশের চাকুরিরত শ্রেণির অন্যতম প্রত্যাশাই হল আয়করের উপরে ছাড়। তাদের দাবি, আয়করে ছাড় মিললে হাতে যে অতিরিক্ত টাকা থাকবে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাই বৃদ্ধি পাবে, যার প্রভাব পণ্যের চাহিদা ও দেশের অর্থনীতির উপর পড়বে।
এই বাজেটে দেড় লক্ষ টাকা অবধি সরাসরি করের উপর যে ছাড় রয়েছে, তা পর্যালোচনা করে দেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই ছাড়ের সীমা ১৫ লক্ষ টাকা অবধি করার দাবি জানানো হয়েছে।
চতুর্থবারের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদই তিনি অর্থমন্ত্রকে পৌঁছে যান। এখান থেকেই তিনি সংসদের উদ্দেশে রওনা দেবেন।
আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, তারপরই পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট। সকালেই অর্থমন্ত্রকে পৌঁছে গেলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী ও ভগবত কারাদ।
কেন্দ্রই হোক বা বিরোধী, সংসদের প্রত্যেক সদস্য যাতে মিলিত ও শান্তিপূর্ণভাবে বাজেট শোনেন, এটাই চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন অর্থমন্ত্রকের দিকে রওনা দেওয়ার আগে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ভগবত কারাদ।
করোনা সংক্রমণের কারণে গতবছর থেকেই পেপারলেস বাজেট পেশ করা শুরু হয়। এবারও সেই রীতিই বজায় রাখা হচ্ছে। বাজেট পত্রের বদলে ট্যাবলেট থেকেই বাজেট পাঠ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সাংসদরাও বাজেট পত্র দেখতে পাবেন মোবাইল অ্যাপে। ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ (Union Budget Mobile App)-এ দেওয়া হবে পুরো বাজেট। লোকসভায় বাজেট পেশ হওয়ার পর ওই অ্যাপ থেকে পুরো বাজেট ডাউনলোড করা যাবে।
২০২২ সালের বাজেট পেশ করার আগে মঙ্গলবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের জন্য বৈঠকে বসবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের জন্য কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২-২৩ অনুমোদনের জন্য মঙ্গলবার সকাল ১০ টা ১০ মিনিটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক হবে।
সোমবার থেকে শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। আজ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এদিন তিনি সকাল ১১টায় বাজেট পেশ করবেন।
অবশেষে এসে গেল সেই মুহূর্ত। আজই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের (Nirmala Sitharaman) হাত ধরে পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২ (Union Budget 2022)। আগামী অর্থবর্ষের নাড়ি-নক্ষত্র স্থির হয়ে যাবে এই বাজেটের মাধ্যমেই। কোন খাতে কত বরাদ্দ বাড়ল বা কোন পণ্যের কত দাম বাড়ল বা কমল, সবই জানা যাবে কেন্দ্রীয় বাজেটে। এবারের বাজেটে বিশেষ জোর দেওয়া হতে পারে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। একইসঙ্গে বিশেষ গুরুত্ব পাবে কৃষি ও শিল্পক্ষেত্রও। করোনাকালে দেশের চরম কর্মসঙ্কট দেখা দেওয়ায়, এবারের বাজেটে কর্মসংস্থান নিয়ে কোনও ঘোষণা করা হয় কিনা, তার উপর নজর থাকবে। অন্যদিকে, আয়কর নিয়েও রয়েছে বহু প্রত্যাশা। এবারে আয়করে কোনও ছাড় ঘোষণা করা হয় কিনা, তাও নজরে থাকবে। বাজেট সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট দেখে নিন একনজরে-
মঙ্গলবারে রাতে আমতায় আনিস খানের দাদার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কথা বলেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন, “পুলিশ মন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ খুন করেছে আনিস খানকে। পুলিশমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আনিসকে শায়েস্তা করতে গিয়েছিল পুলিশ।”
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অলঙ্করণ: অভিজিৎ বিশ্বাস
অর্থমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের করের হাস ১০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১৪ শতাংশ করা হবে। কেন্দ্র-রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।.
বিস্তারিত পড়ুন: Budget 2022: ভুল সংশোধন করার জন্য মিলবে ২ বছরের সময়, আয়কর নিয়ে কী কী ঘোষণা হল নির্মলার বাজেটে?
বাজেটে অন্যতম প্রত্যাশা ছিল কর্মসংস্থান। এদিন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, আগামী পাঁচ বছরে ৬০ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
আয়কর ছাড় নিয়ে অনেক প্রত্যাশা থাকলেও, অর্থনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখতে আয়কর কাঠামোতে কোনও বদল হবে না বলেই জানালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ব্যক্তিগত কর কাঠামোও একই থাকবে বলে তিনি জানান।
এমন যন্ত্রপাতি যেগুলি ভারতে তৈরি হয় তাদের উৎসাহ দিতে কাস্টম ডিউটি বাড়ানো হল। দেশে তৈরি কৃষি যন্ত্রপাতি সস্তা হবে। সস্তা হবে পোশাক, চর্মজাত দ্রব্য, মোবাইল ফোন, চার্জার।
করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে স্টার্টআপ ব্যবস্থায় বিশেষ ঘোষণা করা হল। স্টার্টআপ সংস্থাগুলিকে আরও এক বছরের করে ছাড় দেওয়া হল। অন্যদিকে, ডিজিটাল সম্পত্তিতে বসছে কর, নতুন অর্থবর্ষ থেকে এই কর দিতে হবে।
বিশেষ ভাবে সক্ষমদের জন্য করছাড়ের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। আয়করে ছাড় দেওয়া হচ্ছে পেনশনভোগীদের, জাতীয় পেনশন প্রকল্পে করে ছাড় বেড়ে হল ১৪ শতাংশ। ডিজিটাল সম্পত্তির লেনদেনে ৩০ শতাংশ আয়কর।
জিএসটির ক্ষেত্রে এখনও কিছু সমস্যা রয়েছে। খুব শীঘ্রই জিএসটি সংক্রান্ত সমস্যা দূর করা হবে। জানুয়ারিতে জিএসটি আয়ে রেকর্ড। জিএসটি বাবদ জানুয়ারিতে আদায় ১ লক্ষ ৪১ হাজার কোটি টাকা। জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে এটিই সব থেকে বেশি আয়।
সারচার্জ কমানো হচ্ছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে। কর্পোরেট ট্যাক্স ১৮ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ কমানো হল। কো-অপারেটিভগুলির সারচার্জ কমল। সারচার্জ ১২ শতাংশ থেকে কমে ৭ শতাংশ হল। কিছু কিছু জায়গায় কর ছাড় দেওয়া হল। বিশেষভাবে সক্ষমদের বাড়তি কর ছাড়। ক্রিপ্টো কারেন্সিতে আয়ে ৩০ শতাংশ কর। পিপিএফে বিশেষ সুবিধা।
তথ্য নথিকরণ ব্যবস্থার সুবিধার জন্য ওয়ান নেশন, ওয়ান রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থার সূচনা করা হবে। জমির রেকর্ড রাখতে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার। কৃষিকাজের সহায়তায় ড্রোনের ব্যবহার। ব্যাটারিচালিত পরিবহণ ব্যবস্থার উদ্যোগ। ব্যাটারির চার্জিং সেন্টার বাড়ানো হবে।
সমস্ত করদাতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানালেন কর ব্যবস্থার সরলীকরণ করা হবে। প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার সংস্কারে বিশেষ জোর দেওয়া হবে। করদাতারা আপডেটেড রিটার্ন ফাইল করতে পারবেন ২ বছরের মধ্যে।
ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবস্থাতেও জোর দিল কেন্দ্র। চলতি বছর থেকেই বাজারে ডিজিটাল মুদ্রা আনবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।
আধুনিক প্রযুক্তি ভর করেই স্বপ্নের উড়ান অর্থনীতির। ই-পাসপোর্ট সিস্টেমে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ জোর। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে ব্রডব্যান্ড পরিষেবাতেও জোর দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সব গ্রামে অপটিকাল ফাইবার বসবে। ভারত নেট প্রকল্পে জোর। ৫জি পরিষেবার পরিকাঠামোয় জোর। মার্চ মাসের মধ্যে দেশে ৫জি স্পেকট্রাম নিলাম শুরু হবে। প্রতিরক্ষা খাতে গবেষণার জন্য ২৫ শতাংশ বরাদ্দ বাজেট।
অ্যানিমেশন, কমিকস, গেমিংয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।বিভিন্ন ক্ষেত্রে পেমেন্টের জন্য ই-বিল ব্যবস্থা চালু হবে। ব্যবসার উন্নতিতে সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম, একটি ফর্মে সমস্ত অনুমোদন সম্ভব হবে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অত্যাধুনিক পরিকাঠামোয় জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। দেশে চারটি কোল গ্যাস পাইলট প্রকল্প চালু হবে। জোর দেওয়া হবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে। সৌরবিদ্যুতে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা আর্থিক বরাদ্দের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।
সমস্ত মন্ত্রকেই ই-বিল চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্র। জমির রেকর্ড রাখতেও ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার করা হবে। ব্যাটারিচালিত পরিবহণ ব্যবস্থার উদ্যোগ। নগর পরিকল্পনায় বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন। উত্তর পূর্বের উন্নয়নে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
২ লক্ষ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উন্নয়নের কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি জানান, করোনা অতিমারিতে মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় জোর। ন্যাশনাল টেলিমেন্টাল হেলথ সেন্টার তৈরি হবে। দেশজুড়ে ২৩টি হেলথ সেন্টার তৈরি হবে।
চলতি বছরেই দেশজুড়ে চালু হবে অনলাইনে পোস্ট অফিস। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির জন্য এই বিশেষ প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। গ্রামের পরিকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করা হল। ৮০ লক্ষ বাড়ি তৈরির লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে এই যোজনায়র অধীনে। এছাড়াও পানীয় জলে ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।
অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের ৭৫টি জেলায় ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং কেন্দ্র হবে। উত্তর পূর্বের উন্নয়নে নয়া প্রকল্প আনা হচ্ছে। এছাড়াও করোনা অতিমারিতে ছোটদের পড়াশোনার যে বিপুল ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতি সামলাতে বিশেষ টিভি চ্যানেল আনা হচ্ছে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য এই টিভি চ্যানেলে নানা অনুষ্ঠান দেখানো হবে।
শেয়ারবাজারে জীবন বিমা নিগমের আইপিও আনার কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা অতিমারির সময়ে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। তাদের জন্য গ্যারান্টি কভার ৫০ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ কোটি টাকা করা হল। এটি শুধুমাত্র হসপিটালিটি ও তার সঙ্গে যুক্ত পরিষেবার জন্য।
এদিন অর্থমন্ত্রী জানান, দেশে তৈলবীজ উৎপাদন বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য কৃষকদের ৭ লক্ষ কোটি টাকা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দেওয়া হবে। সেচ ও পানীয় জলের জন্য ৪৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করা হচ্ছে। কৃষির আধুনিকীকরণে জোর। ২.৩৭ লক্ষ কোটি টাকার এমএসপি দেওয়া হবে। এছাড়া গঙ্গা উপত্যকা এলাকায় প্রাকৃতিক চাষে অর্থাৎ রাসায়নিকের ব্যবহার না করে চাষাবাদে জোর দেওয়া হবে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে মিলেট চাষে। এমএসএমইতে ২ লক্ষ কোটি বাড়তি বরাদ্দ করা হচ্ছে।
দেশের পার্বত্য এলাকাগুলিতেও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। যাতায়াত সুগম করার জন্য পিপিপি মডেলে তৈরি হবে রোপওয়ে, এমনটাই জানালেন অর্থমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ৪০০ নিউ জেনারেশন বন্দে ভারত ট্রেন আনা হবে আগামী তিন বছরে। ১০০টি পিএম গতিশক্তি কার্গো টার্মিনাল তৈরি হবে তিন বছরে।
এই বাজেটে বিশেষভাবে উপকৃত হবে মহিলা, কৃষক, যুব, তফশিলী জাতি ও উপজাতির মানুষেরা।
দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে ডিজিটাল ইকোনমিতে জোর দেওয়ার কথা বললেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২১-২২ এর বাজেট লগ্নিতে গতি এনেছে। আর্থিক বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.২ শতাংশ। পিএম গতিশক্তি মাস্টার প্ল্যানের লক্ষ্য উন্নয়ন। সাত ইঞ্জিনে ভর করে এগোবে পিএম গতিশক্তি।
দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বললেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশে ওমিক্রনের ঢেউ চলছে বর্তমানে। তবে টিকাকরণেও এগিয়ে চলেছি আমরা। আমাদের দেশের টিকাকরণের গতিই দ্রুত সুস্থতার পথ দেখাচ্ছে। ‘সবকা সাথ, সবকা প্রয়াস’-এর হাত ধরে আমরা এগিয়ে যাব বলে আমার বিশ্বাস।”
দেশের কর্মসংস্থান বাড়াতে আত্মনির্ভরতার বার্তাই দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, “আত্মনির্ভর ভারতে বিপুল কর্মসংস্থান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই বাজেটই আগামী ২৫ বছরের আর্থিক দিশা দেখাবে।”
বাজেটের শুরুতেই কেন্দ্রের লক্ষ্য সাফভাবে জানিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেন, “আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য হল দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষদের আর্থিক সাহায্য করা।”
সংসদে বাজেট পেশ শুরু করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। শুরুতেই করোনা অতিমারিতে যারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাঁদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করলেন অর্থমন্ত্রী।
লোকসভায় বাজেট পেশ শুরু করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
সামনেই উত্তর প্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড সহ ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এমন সময়েই পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট। ভোটমুখী রাজ্যগুলির কথা মাথায় রেখে রাজস্ব ঘাটতি নিয়ে কোন পথে হাঁটে কেন্দ্র, তাই-ই এখন দেখার। গত বছর রাজকোষে ঘাটতি ছিল ২২৪ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৬.৮ শতাংশ। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৩ শতাংশ। ভোটমুখী রাজ্যগুলির কথা মাথায় রেখে যদি বরাদ্দের পরিমাণ বাড়ানো হয়, তবে রাজকোষে ঘাটতি আরও বাড়বে। অন্যদিকে, ২০২৪ সালেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। কেন্দ্রের গদি ধরে রাখতে বৃহত্তর চিত্রের কথাই ভাবতে হবে সরকারকে, সেক্ষেত্রে রাজকোষে ঘাটতি কমানোই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মনে করেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। শেষ অবধি কেন্দ্র কোন পথে হাঁটে, তাই-ই এখন দেখার।
করোনা সংক্রমণ এসে দেশের স্বাস্থ্যপরিকাঠামোর দুর্বল দশাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল। গতবারের বাজেটে তাই স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছিল বিপুল পরিমাণে। গত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ছিল ৭৪,৬০২ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ০.৩৩ শতাংশ ছিল। বছর পার হলেও বিপদ কাটেনি করোনার, বরং নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের উৎপত্তির কারণে আরও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার প্রয়োজনীয়তাই বোঝা গিয়েছে। একইসঙ্গে দেশে টিকাকরণ বিনামূল্যে গণ টিকাকরণ কর্মসূচিও চলছে। প্রিকশন ডোজ়ও দেওয়া শুরু হয়েছে। এই সমস্ত দিকগুলি মাথায় রেখেই এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে কত টাকা বরাদ্দ করা হয়, তার দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।
সংসদে বাজেট পেশের আগেই প্রয়োজন মন্ত্রিসভার অনুমোদন। সংসদে পৌঁছনোর পরই অর্থমন্ত্রী মন্ত্রিসভায় বাজেট পেশ করেন এবং তা অনুমোদনও পেয়ে যায়।
করোনা মহামারির সঙ্গে লড়াই করছে দেশের অর্থনীতি। হাল ফেরাতে ভরসা বাজেট। গতবছরে কোন খাতে কত বরাদ্দ ছিল, তা দেখে নেওয়া যাক একনজরে-
১. গত বছর শিক্ষাখাতে বরাদ্দ করা হয়েছিল ৯.৩২ লক্ষ কোটি টাকা। দেশের মোট জিডিপির ০.৪২ শতাংশ ছিল এই বরাদ্দ।
২. মূলধনী খাতে বরাদ্দ করা হয়েছিল ৫.৫৪ লক্ষ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ২.৪৭ শতাংশ ছিল।
৩. প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছিল ৩.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা। এটি দেশের মোট জিডিপির ১.৫৫ শতাংশ ছিল।
সংসদে এসে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আর কিছুক্ষণ পরই পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২। ইতিমধ্য়েই সংসদে এসে পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। পাশাপাশি এসে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রেলমন্ত্রী অশ্বীনী বৈষ্ণব, সংসদীয় বিষক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী।
রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে সংসদে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী ডঃ ভগবত কিষাণরাও কারাদ ও পঙ্কজ চৌধুরী।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাজেট পেশ করা হলেও, বাজেট পত্রের কাগজের কপিও রাখা হয়েছে এই বছরের। ইতিমধ্যেই সংসদ ভবনে এসে পৌঁছেছে সেই বাজেটপত্রের কপি। যাবতীয় সুরক্ষাবিধি অনুসরণ করে তা সংসদ ভবনের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বাজেট পেশ করার আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ও অর্থ প্রতিমন্ত্রী ডঃ ভগবত কিষাণরাও কারাদ ও পঙ্কজ চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রকের বাকি আধিকারিকেরাও।
বাজেটের ঘোষণার দিকেই আজ সারাদিন তাকিয়ে থাকবে দালাল স্ট্রিট। এদিন সকালে বাজার খুলতেই সেনসেক্সের সূচকে ৫৮২.৮৫ অঙ্ক বৃদ্ধি হয়। নিফটিও ১৫৬.২০ অঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করার আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করতে এলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ইতিমধ্যেই তিনি অর্থমন্ত্রক থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন।
বাজেট হাতে অর্থমন্ত্রক থেকে বের হলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারও তিনি পেপারলেস বাজেট পেশ করবেন। সেই কারণে লাল কভারে মোড়া ট্যাব হাতেই দেখা গেল তাঁকে।
আজ ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তার আগে সংসদে পেশ করা হল আর্থিক সমীক্ষা। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের পর লোকসভায় ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষের হিসেব নিকেশ পেশ করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের (এপ্রিল ২০২২ থেকে মার্চ ২০২৩) জন্য দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধি ৮-৮.৫ শতাংশ থাকবে। গত অর্থবর্ষে (এপ্রিল ২০২১ থেকে মার্চ ২০২২) এই হার ছিল ৯.২ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এই বছর দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার হার কম রাখা হয়েছে। মহামারী সত্ত্বেও ভারত চলতি অর্থবছরে (২০২১-২০২২) ৯.২ শতাংশ বৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। বিশ্বের দ্রুততম অর্থনীতি হিসাবে বৃদ্ধি পেতে চলেছে ভারত।
এবারও পেপারলেস বাজেট পেশ হতে চলেছে। সংস্পর্শ এড়াতে মোটা বাজেট নথি নয়, নিজস্ব মোবাইলেই দেখা যাবে বাজেট। ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ (Union Budget Mobile App)-এ দেওয়া হবে পুরো বাজেট। লোকসভায় বাজেট পেশ হওয়ার পরই ওই অ্যাপ থেকে পুরো বাজেট ডাউনলোড করা যাবে।
সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। সেই বক্তৃতার সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাবে সংসদ টিভিতে। পাশাপাশি লোকসভা টিভির ইউটিউব চ্যানেলেও দেখা যাবে সেই সম্প্রচার। আপডেট পাওয়া যাবে টুইটারে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি (PIB)- র ইউটিউব চ্যানেলেও বাজেট সম্প্রচার হবে। এছাড়া TV9 বাংলার লাইভ টিভিতেও সরাসরি বাজেট সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট দেখা যাবে।
সোমবারই সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কথা বলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এম বেঙ্কাইয়া নাইডু। চলতি বাজেট অধিবেশনে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের, সেই বিষয়েও আলোচনা করা হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পিযুষ গোয়েল জানান, যেহেতু এবারের বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশের মেয়াদ ছোট, সেই কারণে এই অংশে কোনও আইনি প্রস্তাব বা বিল পেশ করা হবে না। তিনি আরও জানান, বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশে রাজ্যসভায় কেবল দুবারই বিতর্ক আলোচনার সুযোগ থাকবে, রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও কেন্দ্রীয় বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করার পর।
বিস্তারিত পড়ুন: Budget 2022: অধিবেশনের প্রথম ভাগে প্রণয়ন হবে না কোনও আইন, জানাল কেন্দ্র
২০১৮ সালের অর্থ আইনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চেপেছিল দীর্ঘমেয়াদী মূলধনে কর বা লং টার্ম ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স। এই আইনের জেরে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছিল বিনিয়োগকারীদের মনোবল। বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতিতে এই দীর্ঘ মেয়াদী মূলধন করের কোনও অস্তিত্ব নেই, ভারতেও অর্থনীতিককে ঘুরে দাঁড়াতে এই কর থেকে মুক্তির দাবিই জানিয়েছেন বিনিয়োগকারী-অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।
বিস্তারিত পড়ুন: Budget 2022: করোনার ধাক্কা সামলাতে বাজেটে কোন কোন ক্ষেত্রে থাকবে বিশেষ নজর, জেনে নিন…
কেন্দ্রীয় বাজেটে এবার অন্যতম আকর্ষণ ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে সরকারের অবস্থান। গত বছরই আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্রিপ্টোকারেন্সির ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। সূত্র মতে, ভারতে নিষেধাজ্ঞা জারি বা বিশেষ কোনও নিয়মের আওতায় আনা হতে পারে এই ডিজিটাল অর্থনীতিকে। আগামী অর্থবর্ষের বাজেটে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থান ও তার উপর কর সম্পর্কে জানতে দেশবাসী।
দেশের চাকুরিরত শ্রেণির অন্যতম প্রত্যাশাই হল আয়করের উপরে ছাড়। তাদের দাবি, আয়করে ছাড় মিললে হাতে যে অতিরিক্ত টাকা থাকবে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাই বৃদ্ধি পাবে, যার প্রভাব পণ্যের চাহিদা ও দেশের অর্থনীতির উপর পড়বে।
এই বাজেটে দেড় লক্ষ টাকা অবধি সরাসরি করের উপর যে ছাড় রয়েছে, তা পর্যালোচনা করে দেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই ছাড়ের সীমা ১৫ লক্ষ টাকা অবধি করার দাবি জানানো হয়েছে।
চতুর্থবারের জন্য বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদই তিনি অর্থমন্ত্রকে পৌঁছে যান। এখান থেকেই তিনি সংসদের উদ্দেশে রওনা দেবেন।
আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, তারপরই পেশ হতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাজেট। সকালেই অর্থমন্ত্রকে পৌঁছে গেলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী ও ভগবত কারাদ।
কেন্দ্রই হোক বা বিরোধী, সংসদের প্রত্যেক সদস্য যাতে মিলিত ও শান্তিপূর্ণভাবে বাজেট শোনেন, এটাই চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন অর্থমন্ত্রকের দিকে রওনা দেওয়ার আগে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী ভগবত কারাদ।
করোনা সংক্রমণের কারণে গতবছর থেকেই পেপারলেস বাজেট পেশ করা শুরু হয়। এবারও সেই রীতিই বজায় রাখা হচ্ছে। বাজেট পত্রের বদলে ট্যাবলেট থেকেই বাজেট পাঠ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সাংসদরাও বাজেট পত্র দেখতে পাবেন মোবাইল অ্যাপে। ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ (Union Budget Mobile App)-এ দেওয়া হবে পুরো বাজেট। লোকসভায় বাজেট পেশ হওয়ার পর ওই অ্যাপ থেকে পুরো বাজেট ডাউনলোড করা যাবে।
২০২২ সালের বাজেট পেশ করার আগে মঙ্গলবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের জন্য বৈঠকে বসবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের জন্য কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২-২৩ অনুমোদনের জন্য মঙ্গলবার সকাল ১০ টা ১০ মিনিটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক হবে।
সোমবার থেকে শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। আজ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এদিন তিনি সকাল ১১টায় বাজেট পেশ করবেন।