AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Indian Navy Radar Crisis: রাশিয়াকে ভরসা! মাঝসমুদ্রে ‘অন্ধ’ ভারত?

Russian Radar Crisis: রাশিয়ান রাডারগুলো ভারতের গরম ও নোনতা আবহাওয়ায় সঠিক ভাবে কাজ করছে না। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই রাডারগুলো বিকল হয়ে যাচ্ছে। ওই নথিতে দাবি করা হয়েছে, রাশিয়ার দেওয়া প্রতিশ্রুতির চেয়ে এই রাডার ৪০ শতাংশ কম কার্যকর। মাত্র ২০০ ঘণ্টা ওড়ার পরই ভেঙে পড়ছে সিস্টেম।

Indian Navy Radar Crisis: রাশিয়াকে ভরসা! মাঝসমুদ্রে ‘অন্ধ’ ভারত?
ভারতকে রাশিয়ান ধোঁকা?
| Updated on: Jan 07, 2026 | 7:26 PM
Share

‘ব্ল্যাক মিরর’ হ্যাকারদের একটি গোপন নথি লিক হতেই হইচই পড়ে গিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে। রাশিয়ার তৈরি ‘ZUK-MI’ রাডারে ধরা পড়েছে ভয়াবহ কারিগরি ত্রুটি। আর এই ত্রুটির জেরে ভারতের নৌবাহিনীর গর্ব, মিগ-২৯কে (MiG-29K) যুদ্ধবিমানগুলি এখন বড়সড় ঝুঁকির মুখে।

কেন এই উদ্বেগ?

তদন্তে দেখা যাচ্ছে, এই রাশিয়ান রাডারগুলো ভারতের গরম ও নোনতা আবহাওয়ায় সঠিক ভাবে কাজ করছে না। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই রাডারগুলো বিকল হয়ে যাচ্ছে। ওই নথিতে দাবি করা হয়েছে, রাশিয়ার দেওয়া প্রতিশ্রুতির চেয়ে এই রাডার ৪০ শতাংশ কম কার্যকর। মাত্র ২০০ ঘণ্টা ওড়ার পরই ভেঙে পড়ছে সিস্টেম। ফলে এই মুহুর্তে ভারতের নৌসেনার ৪০টি মিগ বিমানের মধ্যে মাত্র ৬০ শতাংশ অর্থাৎ, ২৪টি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।

ভারতের জবাব: আত্মনির্ভরতা

বিপাকে পড়ে এবার দেশীয় প্রযুক্তির দিকেই ঝুঁকছে ভারতীয় নৌসেনা। ডিআরডিওর তৈরি ‘উত্তম এমকে-২’ (Uttam Mk-2) এএসএ রাডারকে মিগ-এ বসানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ‘ডেটা প্যাটার্নস’-এর হক-আই ৯০০ রাডারও রয়েছে দৌড়ে। তবে এই বদল রাতারাতি সম্ভব নয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা সেরে নতুন রাডারবাহী মিগ আকাশে উড়তে সময় লাগে যেতে পারে ২০৩০-৩১ সাল পর্যন্ত।

আগামীতে কী হবে?

নৌবাহিনীর একজন শীর্ষকর্তার মতে, “এটি কেবল প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়, এটি একটি কৌশলগত দুর্বলতা।” চিনের জে-১৫ বা জে-৩৫ বিমানের মোকাবিলায় ভারতের এই যুদ্ধবিমানগুলো যাতে ‘কাগজের বাঘ’ হয়ে না যায়, তাই ৮ হাজার কোটি টাকার ‘প্রজেক্ট ৪৫এ’ হাতে নেওয়া হয়েছে। রুশ প্রযুক্তির ওপর অতি-নির্ভরতা যে বিপদের কারণ হতে পারে, এই রাডার-কাণ্ড তা আবারও প্রমাণ করে দিল। ভারতের আকাশ ও জল সীমা সুরক্ষিত রাখতে এখন দেশীয় প্রযুক্তিতেই ভরসা খুঁজছে দিল্লি।