West Bengal News Live: দিনভর বৈঠক নির্বাচন কমিশনের, বিনীতকে ধমক দিলেন জ্ঞানেশ
Breaking News in Bengali Live Updates: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এসআইআর ধরনা। আজ চতুর্থ দিনে নজর থাকবে সেই দিকেও। একদিকে যখন বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড়ৃ পরিমার্জন নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। সেই আবহেই শহরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ ফুল বেঞ্চের বৈঠক। রবিবার রাতে জ্ঞানেশের নেতৃত্বে কলকাতায় এসেছেন ১২ জন আধিকারিক। সকাল ১০টায় বৈঠক।

LIVE NEWS & UPDATES
-
Rajeev Kumar: রাজীবকে স্যালুট, বিতর্ক
- পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল পদ থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬-এ অবসর নেন। তাঁর ইস্তফা ও নতুন ডিজি নিয়োগ ঘিরে কম জলঘোলা হয়নি। এরপরই এক চমক! এক সন্ধ্যায় রাজ্যসভার প্রার্থীতালিকা সামাজিক মাধ্য়মে পোস্ট করে তৃণমূল। তাতে জ্বলজ্বল করে রাজীব কুমারের নাম। সঙ্গে আরও একাধিক নাম।
- কিন্তু রাজীব কুমারের নামটা স্বাভাবিকভাবেই বঙ্গের রাজনীতিকদের চমকে দিয়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। এক সময়ের দুঁদে কর্তা, যাঁর জন্য খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধরনায় বসতে দেখা গিয়েছিল, অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকতে দেখা গিয়েছে রাজীবকে।
- পদে থাকাকালীনও রাজীবের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। সেই রাজীব কুমার এখন তৃণমূলের প্রার্থী। সোমবার CEC জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে যে প্রতিনিধি দল গিয়েছিল, তাতে ছিলেন রাজীব কুমার। ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও ফিরহাদ হাকিমও।
- বেরিয়ে এসে সাংবাদিক বৈঠকও করেন তাঁরা। কিন্তু তারপরই ধরা পড়ে এক ছবি, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক। রাজীব কুমারকে দেখে আজও স্যালুট করতে দেখা গেল কর্তব্যরত পুলিশ কর্তাদের, কোনও কোনও পুলিশ কর্তাকে আবার এগিয়ে গিয়ে গাড়ির দরজা খুলে দিতে উদ্যত হতেও দেখা যায়।
-
CEC: বিনীতকে ধমক জ্ঞানেশের
- এডিজি আইন শৃঙ্খলা বিনীত গোয়েলকে কড়া ধমক মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। সোমবার সকালে সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন CEC।
- এরপর দ্বিতীয় দফায় প্রশাসনিক বৈঠক করেন। জেলা শাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কর্তা, প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন জ্ঞানেশ।
- একাধিক কেন্দ্রীয় এজেন্সিকেও কড়া বার্তা দেন CEC। একেবারে প্রথমের সারিতেই বসেছিলেন বিনীত গোয়েল।
- কথা হচ্ছিল নার্কোটিক্স অ্যাডভাইজারি বোর্ড নিয়ে। CEC জানতে চান, অন্য রাজ্যের মতো বাংলায় কেন নার্কোটিক্স অ্যাডভাইজারি বোর্ড নেই?
- সূত্রের খবর, এই প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন বিনীত গোয়েল। আর তখনই ধমক দেন CEC। পাশাপাশি RBI, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও শুল্ক দফতরকেও ধমক কমিশনের।
-
-
Rajya Sabha election: ভোটাভুটি ছাড়াই রাজ্যসভার সাংসদ হলেন কোয়েল, রাহুলরা
রাজ্যসভা নির্বাচনে ভোটাভুটি ছাড়াই বাংলা থেকে জয়ী হলেন ৫ জন
- পাঁচটি আসন। মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন পাঁচজনই। ফলে ভোটাভুটি যে হবে না, তা নিশ্চিত ছিল।
- তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় পা রাখছেন বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব কুমার, মেনকা গুরুস্বামী এবং কোয়েল মল্লিক।
- আর বিজেপির হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন রাহুল সিনহা। বাবুল ছাড়া বাকি চারজন প্রথমবার সংসদে সাংসদ হিসেবে পা রাখবেন।
- আর সোমবার সাংসদের শংসাপত্র হাতে পাওয়ার পরই কোয়েল, বাবুল, রাজীব কুমার, রাহুল সিনহারা তাঁদের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিলেন। কে কী বললেন?
বিস্তারিত: রাজ্যসভায় জয়ী হয়েই পরবর্তী লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন কোয়েল-বাবুল-রাজীব-রাহুল, কে কী বললেন?
-
রাজনৈতিক বৈঠকের পর প্রশাসনিক বৈঠক
- রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের ফুল বেঞ্চ বসেছে রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে।
- মঙ্গলবার আবার রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁদের।
- তার আগেই বৈঠকের আয়োজন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সঙ্গেও।
-
কমিশনের বিবৃতি
কমিশনের বৈঠক যোগ সাতটি দল, বিবৃতি দিয়ে জানাল ফুল বেঞ্চ। সোমবার এই বৈঠক সূত্রে বাংলায় এসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। রাজনৈতিক বৈঠকের পর রয়েছে প্রশাসনিক বৈঠক। তার আগেই সর্বদলীয় বৈঠক নিয়ে বিবৃতি দিল নির্বাচন কমিশন। কী জানাল তাঁরা?
- তারা জানিয়েছে, বেশির ভাগ দল রাজ্যে হওয়া ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের প্রশংসা করেছেন। যদিও চন্দ্রিমা-সেলিমরা বৈঠক থেকে বেরিয়েই এসআইআর নিয়ে সুর চড়ান।
- রাজ্যে ভয়মুক্ত নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলে বিজেপি। বিবৃতিতে কমিশন সেই দাবিতেই সিলমোহর দিয়েছে। কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম না করেই আশ্বস্ত করেছেন জ্ঞানেশ কুমার।
- বৈঠকেই রাজনৈতিক দলগুলিকে তিনি বলেছেন, “কমিশন রাজ্যে স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট করাতে উদ্যত্ত। এই মর্মে জিরো টলারেন্স নীতিকেই আধার করা হবে।”
- পাশাপাশি, এসআইআর প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ভাবেই হচ্ছে। যে কোনও নাম মোছার, যোগ করার বা পরিবর্তনের জন্য এখনও ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ফর্ম পূরণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে তাঁরা।
নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ
-
-
কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে কী দাবি রাখল সিপিএম?
- লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি: এই বিষয়কে CEC-এর সামনে তুলে ধরা হয়েছে বলে মহম্মদ সেলিম বলেন। সেলিম প্রশ্ন তোলেন, “একটা ভোটার লিস্ট করতে গিয়ে কেন কমিশন মানুষকে শত্রু বানাল? নির্বাচন কমিশন কেন নির্যাতন কমিশন হয়ে গেল?” ভোটের আগে কমিশনকে নিজের সাংবিধানিক সম্মান পুনরুদ্ধার করতে হবে।
- বিচারাধীন ৬০ লক্ষ: এই ৬০ লক্ষ ভোটারকে বাদ দিয়ে ভোটার লিস্ট তৈরি হতে পারে না। সুপ্রিম কোর্ট বলে দিয়েছে, নামের বানান সামান্য ভুল হলে ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ যায় না।
- সরষের মধ্যে ভূত: আজ কমিশন স্বীকার করেছে, যে সমস্ত প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে কাজ করানো হয়েছিল, তাতে সরষের মধ্যে ভূত ছিল। আমরা বলেছি, যখন স্বীকার করছেন, তখন এক-দু’জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। সেটা জানাতে হবে, তা না হলে তো ভোট আবার তাঁদেরকে দিয়েই করানো হবে।
- ফর্ম ৬: ১৮ বছর হওয়ার পরও যাঁদের নাম তালিকায় উঠল না, তাঁদের নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে। কিন্তু ফর্ম ৬ পূরণ করতে হয় অনলাইনে। সেক্ষেত্রে সমাজের পিছিয়ে পড়াদের অসুবিধা। বিএলএ-রা তাঁদের সাহায্য করবে হবে কমিশন আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু সেলিমের বক্তব্য ছিল, বিএলএ এত কাজ করার পরও তো ম্যাপিংয়ে এত সমস্যা হচ্ছে।
- এক দফা ভোট: সেলিমের কথায়, “আমরা নির্দিষ্ট দাবি করেছি এক দফায় ভোট হবে। খুব বেশি হলে দু’দফা। ”
- ডিলিটেড নাম: সেলিমের কথায় কমিশন জানিয়েছেন, যাঁদের নাম ডিলিট করা হয়েছে, তাঁদেরও সুযোগ দিতে হবে।
- নিরপেক্ষতা: নির্বাচন কমিশন যাতে পক্ষপাতদুষ্ট না হয়, সেই স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।
-
কালো শাল গায়ে কলকাতায় জ্ঞানেশ
- কালো শাল গায়ে দিল্লিতে কমিশনের উদ্দেশে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- তাঁর সফরসঙ্গী হয়েছিলেন ‘এসআইআর ক্ষতিগ্রস্থ’দের কয়েকজনও
- এক মাসের ব্যবধানে কলকাতায় এলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার
- কালীঘাটে গেলেন তিনি। পরনে সেই কালো শাল

-
-
কী কী দাবি বিজেপির?
- এদিন বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গণতন্ত্র সম্পর্কে মানুষের মনে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হবে।”
- এছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদ্ব্যবহার করার দাবি জানিয়েছে বিজেপি
- দাবি জানিয়েছে ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট আয়োজনেরও
- জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কথায়, “ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি বাংলার পুলিশ ও সরকারি তন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্য়বস্থা নিতে হবে।”
- পাশাপাশি, সাত-আট দফা নয়, এক-দুই দফাতেই ভোট মেটানোর দাবি জানিয়েছে বিজেপি
-
কমিশনের ফুল বেঞ্চের কাছে একগুচ্ছ দাবি পেশ বঙ্গ বিজেপির
- কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ব্যবহার করতে হবে, ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে
- কমিশনের ফুল বেঞ্জের কাছে একগুচ্ছ দাবি পেশ করেছে বিজেপি
- এদিন বৈঠকস্থলে বিজেপির প্রতিনিধি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, শিশির বাজোরিয়া এবং তাপস রায়
- মিনিট ৩০-এর বৈঠকে ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে তাঁরা
-
Gyanesh Kumar in Kolkata: দফায় দফায় আসছেন রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা
- বাংলায় কমিশনের ফুল বেঞ্চ, কিছুক্ষণেই শুরু হবে বৈঠক
- ইতিমধ্যে তাতে যোগ দিতে বৈঠকস্থলে আসতে শুরু করেছেন রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা
- বৈঠকস্থলে প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছে রাজীব কুমারকে
- সিপিএমের তরফে এসেছেন মহম্মদ সেলিম
- প্রবেশ করছেন বিজেপির প্রতিনিধিরাও
-
Parliament Budget Session: সংসদে SIR নিয়ে আলোচনা চায় তৃণমূল
- সোমবার থেকে শুরু হতে চলেছে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব
- আগামী এপ্রিল মাস পর্যন্ত চলবে অধিবেশন
- সেখানেও ফের SIR নিয়ে আলোচনা চায় তৃণমূল
- সেই মর্মে লোকসভা ও রাজ্যসভায় নোটিস দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদরা
- এর আগে শীতকালীন অধিবেশনে SIR নিয়ে আলোচনায় অনুমোদন দিয়েছিল সংসদের বিজ়নেস অ্যাডভাইজ়ারি কমিটি
কলকাতা: গত শুক্রবার থেকে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে চলছে তৃণমূলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এসআইআর ধরনা। আজ চতুর্থ দিনে নজর থাকবে সেই দিকেও। একদিকে যখন বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড়ৃ পরিমার্জন নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। সেই আবহেই শহরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ ফুল বেঞ্চের বৈঠক। রবিবার রাতে জ্ঞানেশের নেতৃত্বে কলকাতায় এসেছেন ১২ জন আধিকারিক। সকাল ১০টায় বৈঠক।
রাজ্য রাজনীতি চরমে। জাতীয় রাজনীতিতে নজর সংসদে। সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। প্রথম দিনেই লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারেন বিরোধীরা। সব মিলিয়ে কলকাতা থেকে দিল্লি — নজর রয়েছে সব পক্ষের দিকে।
Published On - Mar 09,2026 10:37 AM
