Election Commission: ভোটমুখী বাংলার জন্য কমিশনের তরফ থেকে এল বড় বার্তা
জেলা শাসকের রিপোর্টের ওপরেই নির্ভর করবে স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা। সোমবারই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন CEC জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকেই এই বিষয়টি উঠে আসে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

নয়া দিল্লি: এবার থেকে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রতি সপ্তাহে রিপোর্ট। জেলা ভিত্তিক রিপোর্ট নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করে কমিশন। জেলা শাসকের রিপোর্টের ওপরেই নির্ভর করবে স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা। সোমবারই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন CEC জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকেই এই বিষয়টি উঠে আসে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সূত্রের খবর, জেলাশাসকের দায়িত্ব থাকবে, রাজ্যের যা যা ঘটনা ঘটছে, সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে পাঠানো। প্রত্যেক সপ্তাহের রিপোর্ট তিনি এক-একটা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই রাজ্যে আগামী দিনে মোট কটা স্পর্শকাতর বুথ হবে, এই জায়গাগুলোতে মোট কত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে, এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
প্রসঙ্গত, সামনেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। সেই ভোটে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে, রাজ্য পুলিশ কত থাকবে, কোথায় কোথায় থাকবে, এরকম একাধিক বিষয়ে কথা বলতে সোমবার দিল্লির নির্বাচন সদনের বৈঠক হয়। কত দফায় রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন করানো সম্ভব সেই সব বিষয়ও উঠে এসেছে বৈঠকে। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে প্রায় ১১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। এ বারও কি সেই একই সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে, সেটাই দেখার।
