বিতর্ক তাঁকে ঘিরে থাকে। তবু ট্রোলকে পাত্তা দিতে নারাজ। তিনি অর্থাৎ বসিরহাটের সাংসদ অভিনেত্রী নুসরত জাহান। রবিবার ছুটির দিনে আর্কাইভ থেকে শেয়ার করলেন একগুচ্ছ ছবি। হলুদে ডুব দিলেন সাংসদ। সঙ্গী লেহেঙ্গা, খোলা চুল আর কানে ঝুমকো। প্রশংসায় ফেটে পড়েছেন ভক্তরা। অভিনেত্রীর ছবি থেকে উচ্ছ্বসিত তাঁরা। অনেকেরই বক্তব্য, ‘ছুটির দিন নাকি ভাল করে দিলেন সাংসদ’!
দুদিন আগেই তাঁকে নিয়ে হওয়া ট্রোল নিয়ে মুখ খুলেছিলেন নুসরত। জানিয়েছিলেন, যাই হোক না কেন, লোকে কটাক্ষ করবেই। সবাইকে মনে রাখতে হবে তিনি যা করছেন, ঠিকই করছেন। বরাবরই নিজের শর্তেই জীবন কাটিয়েছেন নুসরত।
গত বছর পুজোর ঠিক আগেই মা হয়েছিলেন নুসরত। পুজোর সময়েই ছেলের ছবি শেয়ার করে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। এক ফ্রেমে তিনি যশ ও ঈশানকে দেখে চলেছিল নানা চর্চা। তবে তার চেয়েও চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল নুসরতে মাথায় সিঁদুরের চিহ্ন। তিনি ও যশ কি বিবাহিত উঠেছিল সে প্রশ্নও। বছর ঘুরতে যদিও সে বিতর্কও চাপা পড়ে গিয়েছে। এবারে পুজোর সময় জমিয়ে সেলিব্রেশন করেছেন তিনি, সঙ্গে ছিলেন যশ। মাথায় ছিল সিঁদুর। কিছুদিন আগেই ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছিল নুসরতকে। জনৈক নেটিজেন তাঁকে প্রশ্ন করেন, “মুসলিম হয়েও কেন অমুসলিম বিয়ে করেছ”? উত্তর এড়িয়ে না গিয়ে নুসরতও পাল্টা লেখেন, “কোন জগতে বাস করেন আপনি? আপনি কি আদপে মানুষ”? ধর্ম নিয়েও কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে নুসরতকে। নিখিল জৈনের সঙ্গে ‘বৈবাহিক’ সম্পর্কে থাকাকালীন তাঁর শাঁখা-সিঁদুর পরে রাজ্যসভায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে হয়েছিল বিস্তর আলোচনা। সে সময় নুসরত বলেছিলেন, “আমি ভগবানের নিজের সন্তান”। নিখিলের সঙ্গে ‘অবৈধ’ বিয়ে, যশের সঙ্গে সন্তান– সব মিলিয়ে তাঁকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে বহুবারই। তবু নুসরত বলেছেন ইতিবাচকতার কথা। বলেছেন, ট্রোলিংকে পাত্তা না দিয়ে এগিয়ে যেতেই চান তিনি।