আন্তর্জাতিক সিনেমার নক্ষত্র ছিলেন বুদ্ধদা: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

আমি গর্ববোধ করি, উনি একজন বাঙালি এবং প্রচুর ভাল ভাল বাংলা ছবি আমাদের দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকে ওঁর ছবি দেখেছি। একজন শিক্ষক মানুষ ছিলেন।

  • Updated On - 2:52 pm, Thu, 10 June 21 Edited By: স্বরলিপি ভট্টাচার্য
আন্তর্জাতিক সিনেমার নক্ষত্র ছিলেন বুদ্ধদা: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়
বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। ইনসেটে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

বাংলার চলচ্চিত্রে ফের নক্ষত্রপতন। প্রয়াত পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত (Buddhadeb Dasgupta)। বৃহস্পতিবার সকাল ছ’টা নাগাদ ঘুমের মধ্যেই দক্ষিণ কলকাতায় নিজের বাসভবনে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৭। তাঁর স্মৃতিচারণা করলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

আমাদের এই সময় দাঁড়িয়ে আর একজন মাস্টার বুদ্ধদা। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের জায়গায় বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত নামটা ভীষণ ভাবে উজ্জ্বল। বাংলা সিনেমা বলব না, ভারতীয় সিনেমার একজন অন্যতম পরিচালক। ওয়ার্ল্ড সিনেমার অন্যতম এক পরিচালক চলে গেলেন। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল, ওঁর সঙ্গে পরপর দুটো ছবিতে কাজ করার। এটা আমার কাছে আশীর্বাদের মতো। ‘আমি ইয়াসিন আর আমার মধুবালা’…। সেই অভিজ্ঞতা আমার সারা জীবন মনে থাকবে।

বুদ্ধদা যে ধারার ছবি করতেন বা যে ধারার ছবিতে বিশ্বাস করতেন সেটা একেবারেই আলাদা একটা ধারা হলেও আন্তর্জাতিক সিনেমার নক্ষত্র ছিলেন। ওঁর সঙ্গে টরোন্টো সহ আরও কয়েকটা বড় বড় চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। দেখেছিলাম ভদ্রলোকের নামে কী ভাবে মানুষ রিঅ্যাক্ট করেন। ওঁকে দেখে নয়। সেই জায়গাটা উনি তৈরি করেছিলেন।

আমি গর্ববোধ করি, উনি একজন বাঙালি এবং প্রচুর ভাল ভাল বাংলা ছবি আমাদের দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকে ওঁর ছবি দেখেছি। একজন শিক্ষক মানুষ ছিলেন। মানুষটিও বড় ভাল ছিলেন। অনেক সময় অনেক রকম ভাবে মানুষ বুদ্ধদাকে কাছে পেয়েছি, সঙ্গে পেয়েছি। খুবই দুঃখের। কেমন যেন একটা হারিয়ে যাচ্ছেন সবাই। চলে যাচ্ছেন। যেখানেই থাকুন, ভাল থাকুন। ওঁর কাজ আমাদের মধ্যে থাকবে শিক্ষার মতো।

আরও পড়ুন, আমার ৫০ বছরের বন্ধু আর নেই, এটা আমার কাছে শকিং: গৌতম ঘোষ