‘শত্রু’ চিনকে ভরসা ভারতের, লাল ফৌজের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য স্থাপিত হল হটলাইন

গতকালই ছিল লাল ফৌজের প্রতিষ্ঠাদিবস। ঘটনাচক্রে সেইদিনই দুই মধ্যে সম্পর্ক উন্নতির আশায় আরও এক ধাপ এগি্য়ে যাওয়া হল।

'শত্রু' চিনকে ভরসা ভারতের, লাল ফৌজের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য স্থাপিত হল হটলাইন
প্রতীকী চিত্র।

নয়া দিল্লি: সীমান্ত নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন থাকলেও ১২ দফা বৈঠকের পর ধীরে ধীরে “শত্রু” চিন(China)-র উপরও ভরসা করছে ভারত। সেই বিশ্বাসের উপর ভর করেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (Line of Actual Control) ধরে উত্তর সিকিম ও চিন সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে হট লাইন (Hotline) স্থাপন করা হল।

উত্তর সিকিমের কোঙ্গরা লা-এ ভারতীয় সেনাবাহিনী ও সীমান্তের অপর পারে তিব্বতের খাম্বা ডিজ়ং-এ চিনের সেনাবাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মির মধ্যে এই হটলাইন স্থাপন করা হয়েছে, রবিবার সরকারি সূত্রে এ কথা জানানো হয়। দুই দেশের মধ্যে এই হটলাইন প্রতিস্থাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য হল সীমান্তে পারস্পরিক বিশ্বাস বাড়ানো।

গতকালই ছিল লাল ফৌজের প্রতিষ্ঠাদিবস। ঘটনাচক্রে সেইদিনই দুই মধ্যে সম্পর্ক উন্নতির আশায় আরও এক ধাপ এগি্য়ে যাওয়া হল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে এই হটলাইন স্থাপনের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “দুই দেশের সেনাবাহিনীই কম্যান্ডৈর স্তরে যোগাযোগ রেখে এসেছে। এই হটলাইনগুলিও দুি দেশের মধ্যে যোগাযোগ রাখারই অন্যতম হাতিয়ার। সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে বিশেষ গুরুত্ব পালন করে এই হটলাইনগুলি।”

পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ঘিরে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন মেটেনি এখনও। দীর্ঘ আলোচনার পর চলতি বছরের শুরুতেই প্যাংগ্যং হ্রদ অঞ্চল থেকে চিনের সেনাবাহিনী পিছু হটলেও এখনও গোগরা, হট স্প্রিং, দেপস্যাং সহ একাধিক সংঘর্ষস্থল এখনও দখল করে রেখেছে চিন। সেনা প্রত্যাহার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিগত দেড়বছরে ১২ বার বৈঠক করা হলেও তা খুব একটা ফলপ্রসু হয়নি। এই পরিস্থিতিতে হটলাইন স্থাপন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলেই মনে করা হচ্ছে। আরও পড়ুন: Dhanbad: বিচারকের হত্যা মামলায় সময়মতো তদন্ত শুরু হয়নি, সাসপেন্ড করা হল ওসিকে 

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla