Supreme Court: বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার প্রয়োজন নেই’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র
Supreme Court: ভারতে ধর্ষণ-বিরোধী আইন থাকলেও, বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে আলাদা কোনও আইন নেই। ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে অনেক সময়ই প্রশ্ন উঠেছে, বিবাহের পর কি স্ত্রীর মতামতের গুরুত্ব নেই?

নয়া দিল্লি: বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার জন্য একাধিক আবেদন জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। বিভিন্ন সময়ে শুনানি হয়েছে সেই সব মামলার, শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণও দিয়েছে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই বিষয়ে হলফনামা জমা দেওয়া হল শীর্ষ আদালতে। সেখানে কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানানো হল, ‘ম্যারাইটাল রেপ’ বা বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে গণ্য করার প্রয়োজন নেই।
বর্তমানে ধর্ষণ-বিরোধী যে আইন আছে, সেটাই যথেষ্ট বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই আইনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে। কেন্দ্র হলফনামায় উল্লেখ করেছে, এই বিষয়টা আইনি ইস্যুর থেকেও বেশি সামাজিক। সমাজে এর সরাসরি প্রভাব রয়েছে। তাই বৈবাহিক ধর্ষণকে যদিন অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করতেও হয়, সুপ্রিম কোর্টের সেটা করা ঠিক নয় বলেই মনে করছে কেন্দ্র।
হলফনামায় কেন্দ্র বলেছে, “সব রাজ্য ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, বিয়ে হলেই একজন মহিলার মতামতের গুরুত্ব খর্ব হয় না, তবে বিবাহিত হওয়ার পরও এই ধরনের অভিযোগ উঠলে অন্যরকম প্রভাব পড়ে।”
কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণ হল, বিয়ে হওয়ার পর স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক থাকবে, এই প্রত্যাশা স্বামীর থাকতেই পারে, তার মানে এই নয় যে স্ত্রীকে কেউ তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করবে। তবে বিবাহিত না হলে ধর্ষণের অভিযোগে যে শাস্তি হয়, একজন স্বামীকে সেই শাস্তি দেওয়া ঠিক নয়। বিবাহিত মহিলাদের সুরক্ষার জন্য কেন্দ্র ইতিমধ্যেই একাধিক উপায় রেখেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
