
নয়া দিল্লি: প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি সূচনার বর্ষপূর্তিতে বড় চমক! রবিবার আচমকাই প্রকল্পের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ‘ভারত মণ্ডপম সেন্টারে’ হাজির হলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম স্বপ্নের এই প্রকল্পের কার্যবিবরণী, প্রাপ্তি এবং কার্যকারিতা প্রর্দশন করা হয়েছে।
রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, স্কুলগুলিকে প্রধানমন্ত্রী গতিশক্তি পোর্টালে জায়গা দেওয়া হয়েছে, যাতে ভৌগোলিক তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য আশপাশের স্কুলগুলিকেও চিহ্নিত করা যায়। এর ফলে অন্যান্য নিকটবর্তী স্কুলগুলিও এই পোর্টালে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর গতিশক্তি কাঠামো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থাপন করা হয়েছে। নেপাল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যাতে বাড়ানো যায় সেই প্রচারও করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে প্রাধনমন্ত্রী ওডিওপি অর্থাৎ ‘এক জেলা এক পণ্য’ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার উৎপাদিত পণ্য দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। সেগুলির জনপ্রিয়তাও দিন দিন বাড়ছে।
এ দিন মোদী এই প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এমনকী ‘পিএম গতিশক্তি’-র পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিষয়টি তাঁর বক্তব্যে ফুটে ওঠে। এছাড়াও, রবিবার তিনি জানান, বিকশিত ভারতের যে লক্ষ্য তাতে আলাদা গতি আনতে সাহায্য করেছে এই প্রকল্প।
দেশের যে মন্ত্রকগুলি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয় যেমন, কয়লা-ইস্পাত-সার-বন্দর-খাদ্য ও তার গণবণ্টন ইত্যাদির মধ্যে প্রায় ১৫৬টির কাছাকাছি পরিকাঠামোগত খামতি খুঁজে পেয়েছে। যা সম্ভব হয়েছে এই জাতীয় মাস্টার প্ল্যানের সুবাদেই।
রেলমন্ত্রক দেশজুড়ে মাত্র এক বছরে চারশোটিরও বেশি প্রকল্প এবং সাতাশ হাজার কিলোমিটার রেললাইন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
নেটওয়ার্ক প্ল্যানিং গ্রুপ (এনপিজি) সুসংগত পরিকাঠামোর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মন্ত্রকগুলি কাজ চালাচ্ছে। ৮১টি এনপিজি বৈঠকের মাধ্যমে ১৫.৪৮ লক্ষ কোটি টাকার ২১৩টি প্রকল্পের মূল্যায়ন করা হয়েছে।
পরিকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি, সামাজিক বিষয়গুলিও গুরুত্ব পেয়েছে। যেমন, দেড় হাজারটির বেশি জিআইএস (GIS) ডেটা যুক্ত একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ১১ লক্ষ পরিবারের ৪৫ লক্ষ পিছিয়ে পড়া উপজাতি গোষ্ঠীর মানুষকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। এছাড়াও জাতীয় মাস্টার প্ল্যানে চিহ্নিত করা হয়েছে ১০ লক্ষের বেশি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রকে।