Election Commission: ভোটার তালিকায় নাম নেই? আপনাকে জমা দিতে হবে এই ১১টা নথি
Voter Revision in Bihar: কমিশন জানিয়েছে, তাদের জন্যই রয়েছে বিশেষ 'ডিক্লারেশন ফর্ম'। যার মাধ্যমে মোট ১১টি তথ্য সেই রেকর্ড-হীন ভোটারকে কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে।

প্রতীকী ছবিImage Credit: Getty Image
পটনা: বিহার জুড়ে বিশেষ ও নিবিড় সমীক্ষা চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। যার আওতায় ভুয়ো ভোটারদের খুঁজে বের করবে তারা। শেষবার বিহারে ২০০৩ সালে এই সমীক্ষা চালিয়েছিল কমিশন। চলতি বছরেও সমীক্ষাও চলছে ২০০৩ সালে নিরিক্ষণের ভিত্তিতে।
তারা জানিয়েছে, ওই বছরের ভোটার তালিকা অনুযায়ী, মোট ৪.৯৬ কোটি ভোটারের নথি-বিবরণ রয়েছে। যাদের সেই তালিকায় নাম নেই কিন্তু বাবা-মায়ের নাম রয়েছে, তাদের পরিচয়পত্র জমা দিলেই যথেষ্ট। কিন্তু যাদের বাবা-মায়েরও সেই তালিকায় নাম নেই? তাদের কি হবে? কমিশন জানিয়েছে, তাদের জন্যই রয়েছে বিশেষ ‘ডিক্লারেশন ফর্ম’। যার মাধ্যমে মোট ১১টি তথ্য সেই রেকর্ড-হীন ভোটারকে কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে।
কী সেই ১১টি তথ্য?
- যে কোনও পরিচয়পত্র বা যদি সেই ব্যক্তি রাজ্য় বা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হন, তার প্রমাণপত্র বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হলে পেনশনের কাগজ।
- ১৯৮৭ সালে পর সরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন, ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস কিংবা LIC দ্বারা অনুমোদিত কোনও শংসাপত্র বা নথি।
- সরকার অনুমোদিত জন্ম শংসাপত্র।
- পাসপোর্ট থাকলে, তার নথি জমা দিতে হবে।
- শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র, যেমন মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড।
- ওই ব্যক্তি যে সেই রাজ্যের স্থায়ী নিবাসী হন, সেই কেন্দ্রীক যে কোনও নথি। যেমন বাসস্থান সংক্রান্ত কোনও নথি বা ডমিসাইল সার্টিফিকেট।
- যদি সেই ব্যক্তি তফসিলি উপজাতির অন্তর্গত হয়, তা হলে তার ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট।
- এছাড়াও যে কোনও জাত শংসাপত্র। যা সাধারণ ভাবে, SC, ST, OBC-দের দেওয়া হয়ে থাকে।
- যদি NRC সংক্রান্ত কোনও নথি তার কাছে থাকে, সেটিও জমা দেওয়া যেতে পারে।
- স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে তোলা পরিবারের নথি।
- কোনও জমি থাকলে, তার নথি।
Follow Us

