ED Investigation: বালি পাচারের তদন্তে তৎপর ইডি! দেউচা পাঁচামি প্রকল্পে খননের কাজে যুক্ত থাকা সংস্থার নামে চার্জশিট
Deocha-Pachami: অন্যদিকে বালি পাচারে জিডি মাইনিং সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকার দুর্নীতির উল্লেখ থাকলেও সেই টাকা কোথায় গিয়েছে তার উল্লেখ নেই প্রথম চার্জশিটে। মেদিনীপুরের বালি ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের বাড়ি সহ অন্য কয়েকটি জায়গা থেকে তল্লাশি চালিয়ে লাখ লাখ টাকা উদ্ধার হলেও চার্জশিটে তা উল্লেখ করা হয়নি বলেই খবর।

কলকাতা: দেউচা পাঁচামি প্রকল্পে খননের কাজে যুক্ত থাকা সংস্থার নাম বালি পাচারে ইডির চার্জশিটে। Pachami Basalt Mining Limited সংস্থার নাম চার্জশিটে উল্লেখ করেছে ইডি, খবর সূত্রের। এই সংস্থায় বালি পাচারের টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন ধৃত অরুণ শরাফ। টাকা ঢুকেছে জি ডি মাইনিং সংস্থার মাধ্যমেও, অভিযোগ ইডির। প্রসঙ্গত, এর আগে দেউচা পাঁচামির প্রকল্পে এই সংস্থা টেন্ডার পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম। এবার ইডি-র চার্জশিটে সংস্থার নাম আসায় তা নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আঙিনাতেও।
বালি পাচারের টাকা এই সংস্থার মারফত সাদা করা হয়েছে, অভিযোগ তদন্তকারী সংস্থার। বালি পাচারে ইডি চার্জশিট দেওয়ার দিন পনেরো আগেই Pachami Basalt Mining Limited সংস্থার টেন্ডার বাতিল করে রাজ্য সরকার।
অন্যদিকে বালি পাচারে জিডি মাইনিং সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকার দুর্নীতির উল্লেখ থাকলেও সেই টাকা কোথায় গিয়েছে তার উল্লেখ নেই প্রথম চার্জশিটে। মেদিনীপুরের বালি ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের বাড়ি সহ অন্য কয়েকটি জায়গা থেকে তল্লাশি চালিয়ে লাখ লাখ টাকা উদ্ধার হলেও চার্জশিটে তা উল্লেখ করা হয়নি বলেই খবর।
রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে খবর, ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি হিসাবে নাম লিখিয়ে ফেলছে এই দেউচা-পাঁচামি। প্রায় ৩৪০০ একর জমি জুড়ে কয়লা খনি তৈরি হচ্ছে। তবে শুরু থেকেই এই খনি নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে নানান জটিলতা তৈরি হয়। বড়সড় আন্দলনে নামে জমিদাতারা। দীর্ঘ টানাপোড়েনও চলে। রাজনৈতিক মহলে ব্য়াপক অস্থিরতা তৈরি হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত অনেকটাই কাটে জমি জট।
