Pension News: সরকারি কর্মীদের পেনশন ও গ্র্যাচুয়িটির নিয়মে বড় বদল, রাজ্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু কর্মীদের
Kolkata: বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর, শিক্ষাকর্মী এবং অফিসাররা আপাতত ১০০% পেনশন পেলেও সেটা প্রভিশনাল। এছাড়াও গ্র্যাচুয়িটির ৭৫% টাকা পাবেন অবসরপ্রাপ্তরা। তা-ও প্রভিশনাল। আর যাঁরা পেনশন পাবেন তাঁদের এককালীন অংশ পরবর্তী নির্দেশ পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

কলকাতা: অধ্যাপক, অফিসার ও শিক্ষাকর্মীদের পেনশন এবং গ্র্যাচুয়িটির নিয়ম বিধিতে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। ২০২৫-এর ১ অক্টোবর ও তার পরে যাঁরা অবসর নিয়েছেন এবং যাঁরা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত, তাঁরা এবার থেকে আংশিক এবং প্রভিশনাল বা অস্থায়ী ভিত্তিতে অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
ইতিমধ্যেই এর বিরোধিতা করেছেন যাদবপুর, কলকাতা ও বর্ধমান, রবীন্দ্রভারতী-সহ রাজ্যের আঠারোটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন ও শিক্ষকরা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পার্থ প্রতিম রায় বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী। অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা বিশ্ববিদ্যালয় দেবে। সরকার এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে আমাদের বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর, শিক্ষাকর্মী এবং অফিসাররা আপাতত ১০০% পেনশন পেলেও সেটা প্রভিশনাল বা শর্ত সাপেক্ষে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও গ্র্যাচুয়িটির ৭৫% টাকা পাবেন অবসরপ্রাপ্তরা। তা-ও প্রভিশনাল। আর যাঁরা পেনশন পাবেন তাঁদের এককালীন অংশ পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
এ প্রসঙ্গে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সদস্য শাঙ্খ্যায়ন চৌধুরী বলেন, “সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকারে হস্তক্ষেপ করছে সরকার। এতদিন পর্যন্ত এ যাবতীয় নিয়ম বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে ন্যস্ত ছিল। সরকারকে বারবার বলেও দৃষ্টি আকর্ষণ করেও কোনও লাভ হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধিকার রক্ষায় ও নিজেদের দাবি আদায়ে সংগঠিত আন্দোলনের পথে হাঁটতে চলেছে বলে হুঁশিয়ারি।”
ইতিমধ্যেই যাদবপুর কলকাতা সহ ২৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ হয়েছে। ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ জটিলতা আইনি জটিলতায় থমকে রয়েছে। অবিলম্বে কার দোষ গুণ না দেখে দ্রুততার সঙ্গে এর নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে এই দাবি উঠল এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন থেকে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি ভাস্কর গোস্বামী বলেন, “স্থায়ী উপাচার্য না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ থেকে শুরু করে পঠন-পাঠন সবকিছুই থমকে রয়েছে।”
