বাড়িতে পূর্বপুরুষদের ছবি রাখা কি আদপে শুভ?
সেই নিয়ম না মানা হলে লাভের পরিবর্তে ক্ষতির পরিমাণই বেড়ে যায়। বাস্তুর নিয়ম মতে, বাড়ির কোন কোন স্থানে মৃতের ছবি বা পুর্বপুরুষদের ছবি রাখা উচিত নয়, সেই বিষয়ে জেনে নিন এখানে…

ঘর সাজানোর মধ্যে একটা শিল্প কাজ করে মনের মধ্যে। কোথায় কী রাখলে কেমন লাগবে, সেই নিয়ে রীতিমতো ইন্টিরিওর ডিজাইনারের মতো করে ভাবতে শুরু করেন অনেকে। সেই সঙ্গে বড়দের আশীর্বাদকেও ঠাঁই দিতে চান। তাই পূর্বপুরুষদের ছবি রাখা অনেকের বাড়িতেই একটা রীতি হয়ে যায়। কারণ পূর্বপুরুষদের ছবি বাড়িতে রাখলে তা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পূর্ণতা পায়। হিন্দুধর্ম মতে, বাড়িতে পূর্বপুরুষদের ছবি রাখাও অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। কথিত আছে, এমনটা করা হলে পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ সর্বদা বর্ষিত হতে থাকে। কিন্তু বাস্তুমতে এই নিয়ম তা বিপরীত ফল দেয়। কারণ বাড়িতে পূর্বপুরুষ বা মৃৃতের ছবি রাখার একটি নির্দিষ্ট দিক বা কোণ রয়েছে। সেই নিয়ম না মানা হলে লাভের পরিবর্তে ক্ষতির পরিমাণই বেড়ে যায়। বাস্তুর নিয়ম মতে, বাড়ির কোন কোন স্থানে মৃতের ছবি বা পুর্বপুরুষদের ছবি রাখা উচিত নয়, সেই বিষয়ে জেনে নিন এখানে…
ভুল করেও পিতৃপুরুষের ছবি শোওয়ার ঘরে, রান্নাঘরে বা ড্রয়িংরুমে রাখা উচিত নয়। এর ফলে ঘরের শান্তি ও সুখ বিঘ্নিত হয়। নেতিবাচক শক্তি সক্রিয় হয়ে ওঠে তাতে।
যে বাড়িতে পুজোর ঘর বা যেখানে ঠাকুর প্রতিষ্ঠা করা রয়েছে, সেখানে পূর্বপুরুষদের ছবি লাগানো অশুভ বলে মনে করা হয়।শাস্ত্র মতে, উপাসনাগৃহে পূর্বপুরুষের ছবি লাগানো নিষিদ্ধ।
শুধু তাই নয়, ভুল করেও পরিবারের জীবিত সদস্যদের ছবির কাছে পূর্বপুরুষের ছবি রাখা উচিত নয়। বিশ্বাস করা হয় যে এই কাজ করা হলে পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ হতে শুরু করেন। বাড়িতে নেতিবাচক শক্তির মাত্রা বাড়তে থাকে দ্বিগুণ হারে।
বাড়িতে পূর্বপুরুষের ছবি রাখার জন্য দক্ষিণ দিককে সঠিক দিক বলে মনে করা হয়। শাস্ত্রে দক্ষিণ দিককে পূর্বপুরুষের দিক হিসেবে ধরা হয়েছে। প্রতি অমাবস্যা তিথিতে সন্ধ্যের সময় এই দিকে সরষের তেলের প্রদীপ জ্বালালে পূর্বপুরুষের পথ আলোকিত হয়।





