
গরম ফুলকো লুচি হল বাঙালির ইমোশন। লুচি খেতে কার না আর ভাল লাগে! নরন গরম সাদা ফুলকো লুচির সঙ্গে ছেলার ডাল, আলুর তরকারি, কষা মাংসের স্বাদই আলাদা।

রবিবার বা যে কোনও ছুটির দিন মানেই বাঙালির জলখাবারে লুচি থাকবেই। অনুষ্ঠান বাড়িতেও ধরাবাঁধা এই লুচি তরকারি।

ময়দা দিয়ে তৈরি এই খাবার খেতে ভালোবাসেন না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তবে শুধু আমাদের রাজ্যেই নয়, পড়শি রাজ্যেও কিন্তু জনপ্রিয় লুচি। আমরা আদর করে ডাকি লুচি বা নুচি আর কেউ বলে পুরী। আজতে ব্যাপারটা একই।

লুচি যদি নরম হয় তাহলে বাসি অবস্থায় তা খেতে আরও বেশি ভাল লাগে। আমাদের রৈজ্যে লুচির প্রচলন বহু বছর আগে থেকেই। বিভিন্ন তথ্যসূত্র অনুযায়ী, পাল যুগে রাজ্যে তিন প্রকার লুচি তৈরি করা হত। একাদশ শতকে পাল যুগের বিখ্যাত চিকিৎসক চক্রপাণি দত্ত রচিত ‘দ্রব্যগুণ’ গ্রন্থে লুচির বর্ণনা পাওয়া যায়। সেই সময়ের খাস্তা লুচিই বর্তমান লুচিতে পরিণত হয়েছে।

লুচি মাখার সময় যত ভাল ময়ান দিয়ে মাখতে পারবেন ততই কিন্তু ভাল। এতে লুচি ভাল ফুলবে।

ময়দা মাখার সময় সামান্য টকদই আর বেকিং পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে লুচি যেমন ফুলবে তেমনই নরমও থাকবে।