শিপ্রা নদীর তটে রয়েছে কাল ভৈরবের প্রাচীন মন্দির। কথিত, রাজ ভদ্রসেন এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। সেই মন্দিরের আশ্চর্য ভোগ নিয়ে রইল বিস্ময় জাগানো তথ্য! মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে রয়েছে কাল ভৈরবের মন্দির। ভৈরব অষ্টমী উপলক্ষে এই মন্দিরের ভক্তেরা সাক্ষী থাকে এক বিস্ময়কর প্রথার।
ভৈরব অষ্টমীর দিনে ভগবান ভৈরবনাথকে এখানে নিবেদন করা হয় ১৩৫১ ধরনের ভোগ! এই বিভিন্ন প্রকারের ভোগের মধ্যে রয়েছে লিকার ও সিগারেট।
উজ্জয়িনীর কাল ভৈরব মন্দিরে সেই প্রাচীন কাল থেকেই ভৈরব অষ্টমী উদযাপন করার প্রথা চলে আসছে। পুজোর পর আকর্ষণীয়ভাবে সজ্জিত এই মহাভোগ ভক্তদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া হয়।
১৩৫১ ধরনের ভোগের মধ্যে থাকে থাকে বিভিন্ন ধরনের লিকার, সিগারেট, ভাং, গাঁজা!
ভক্তরাই মহাভোগের নানা উপাদান সংগ্রহ করে দেন। প্রভু ভৈরবনাথকে ওই ভোগ নিবেদন করা হয়ে গেলে, প্রসাদ ভাগ করে দেওয়া হয় ভক্তদের মধ্যে। এই মহাভোগের উপকরণ সত্যিই চমকপ্রদ। কী কী থাকে মহাভোগে? দেখা যাক—
৩৯০ ধরনের ধূপকাঠি, ১৮০ ধরনের ফেস মাস্ক, ৭৫ ধরনের শুকনো ফল, ৬৪ ধরনের চকোলেট, ৬০ ধরনের গুজরাতি নোনতা খাদ্য, ৬০ ধরনের সিগারেট, ৫৬ ধরনের স্ন্যাকস, ৫৫ ধরনের মিষ্টি, ৪৫ ধরনের বিস্কুট, ৪০ ধরনের মদ (রাম, হুইস্কি, টাকিলা, ভদকা, বিয়ার এবং শ্যাম্পেন), ছিলিম, গঞ্জিকা, ৪০ ধরনের বেকারি আইটেম এবং ৩০ ধরনের গজা, ২৮ ধরনের কোমল পানীয় এবং ২৮ ধরনের ফল সহ আরও অনেক কিছু।
প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, ভৈরব অষ্টমীর দিন বাবা ভৈরবনাথের কাছে কোনও ভক্ত ভক্তিভরে কোনও মানত করলে তা অবশ্যই পূরণ হয়। গত ১৬ নভেম্বর, বুধবার ছিল ভৈরব অষ্টমী। জানা গিয়েছে, ওই দিনেও উপরিউক্ত মহাভোগ নিবেদন করা হয়েছিল বাবা ভৈরবনাথকে।