
আর দিন কয়েক পরেই পেশ হতে চলেছে বাজেট। প্রতি বছরের মতো এ বছরও ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তবে এবারের বাজেট কিছুটা আলাদা।

যেহেতু চলতি বছরই লোকসভা নির্বাচন রয়েছে, তাই ১ বছরের জন্য বাজেট তৈরি করবে না সরকার। সাময়িকভাবে কয়েক মাসের জন্য এই বাজেট তৈরি করা হবে। একে অন্তর্বর্তী বাজেট বা ভোট অন অ্যাকাউন্ট বাজেটও বলা হয়।

বাজেট শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হলেও, বাজেটের এ,বি,সি,ডি সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। দৈনন্দিন খরচ থেকে বেতন, কর, মূল্যবৃদ্ধি-সবই বাজেটের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই বাজেটের এই তথ্যগুলি না জানলেই নয়।

ব্যালেন্স অব পেমেন্ট- কোনও একচি দেশের সঙ্গে বাকি বিশ্বের আর্থিক লেনদেনের হিসাবকেই বলা হয় ব্যালেন্স অব পেমেন্ট।

ব্যালেন্স বাজেট- যখন দেশের আয়ের সমান হয় খরচ, তখন সেই বাজেটকে ব্যালেন্স বাজেট বলা হয়।

বাজেট ডেফিসিট- বাজেট ডেফিসিট বা বাজেট ঘাটতি হল যখন আপনার আয়ের থেকে খরচ বেশি হয়। সরকারের আয়-ব্যায়ের হিসাবে যখন আয়ের তুলনায় খরচ বেশি হয়, তখন তাকে বাজেট ঘাটতি বলে।

সেন্ট্রাল ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স- এটি এক ধরনের কেন্দ্রীয় কর, যা উৎপাদনকারীদের দিতে হয়। ২০০০-২০০১ সাল থেকে এই কর চালু করা হয়েছে।

কর্পোরেট ট্যাক্স- একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের উপরে আয়ের ক্ষেত্রে যেমন দেশের নাগরিকদের আয়কর দিতে হয়, তেমনই কর্পোরেট সংস্থা বা ফার্মের উপরও কর বসানো হয়। এটিকে কর্পোরেট ট্যাক্স বলা হয়।

বন্ড- ঋণ নেওয়ার জন্য সরকারের তরফে বন্ড দেওয়া হয়। এর উপরে সুদও আরোপ করা হয়।

সেলস ট্যাক্স- কোনও পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে সরকারকে যে কর দিতে হয়, তাকে বিক্রয় কর বা সেলস ট্যাক্স বলা হয়। তবে বর্তমানে বিক্রয় করের পরিবর্তে জিএসটি চালু হয়েছে।