নীরজ চোপড়া (জ্যাভলিন থ্রো): অলিম্পিকে সোনা জয়ী। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিযোগিতায় ৯০ মিটারের খুব কাছে গিয়েও থমকে যান। গতবার গোল্ড কোস্টেও সোনার পদক জিতেছিলেন নীরজ।
নিখত জারিন (বক্সিং): গত মে মাসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জয়ী। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন নিখত জারিন কমনওয়েলথেও সোনার পদকের খোঁজে নামবেন।
মীরাবাঈ চানু(ভারোত্তলন): অলিম্পিকে তেরঙা উড়িয়েছলেন। এবার কমনওয়েলথ গেমসেও পদক জয়ের অন্যতম দাবিদার মণিপুরী ভারোত্তলক।
অমিত পাঙ্ঘাল (বক্সিং): ২০১৮ সালের কমনওয়েলথের ফাইনালে বিপক্ষ বক্সারের কাছে হেরে গিয়েছিলেন। বার্মিংহ্যামে রূপোকে সোনায় পরিবর্তন করার ইচ্ছে পূরণ করতে চান অমিত। ৫১ কেজি বিভাগে অমিত পাঙ্ঘালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পদক রয়েছে।
বজরং পুনিয়া (কুস্তি): অলিম্পিক পদক জয়ী কুস্তিগীর বজরং গতবারের কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতেছিলেন। এ বার ফের তাঁকে সোনা জয়ের অন্যতম দাবিদার বলে ধরা হচ্ছে।
রবি দাহিয়া (কুস্তি): অলিম্পিকে পদক জয়ী কুস্তিগীর রবি কুমার ৫৭ কিলোগ্রাম বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। চলতি বছরে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপেও সোনা এসেছে দাহিয়ার ঝুলিতে।
পিভি সিন্ধু (ব্যাডমিন্টন): বিশ্বের শীর্ষ শাটলারদের মধ্যে একজন। বিশ্বের সবকটি বড় টুর্নামেন্টের পদক রয়েছে সিন্ধুর ঝুলিতে। তবে কমনওয়েলথে এখনও সোনা জেতেননি হায়দরাবাদি। দু'বারের অলিম্পিক পদক জয়ী সোনা জয়ের প্রবল দাবিদার।
লক্ষ্য সেন (ব্যাডমিন্টন): ২০ বছরের লক্ষ্যের এটা প্রথম কমনওয়েলথ গেমস। থমাস কাপে সোনা জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন লক্ষ্য। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পদকও রয়েছে লক্ষ্যের ঝুলিতে।
মণিকা বাত্রা (টেবিল টেনিস): গোল্ডকোস্ট কমনওয়েলথে মণিকা বাত্রা সিঙ্গলস ছাড়াও টিম ইভেন্টে সোনা জিতেছিলেন। সবমিলিয়ে ৪টি পদক জিতেছিলেন সেবার। দেশের শীর্ষ টেবিল টেনিস খেলোয়াড়ের কাছে ফের একবার সোনা জয়ের আশা।
ভিনেশ ফোগট (কুস্তি): ৫৩ কেজি বিভাগে সোনা জয়ের অন্যতম বড় দাবিদার ভিনেশ। কমনওয়েলথ গেমসে অতীতে দু'বার সোনার পদক জিতেছেন। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও পদক রয়েছে ভিনেশের।