আবারও ঘূর্ণিঝড়। এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপই অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আজ, রবিবার মধ্য রাতেই সাগরদ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়।
রবিবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। ঘনঘন বদলাচ্ছে আবহাওয়া। জায়গায় জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতও হচ্ছে। বেলা বাড়তেই বাড়বে দুর্যোগও। ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফলের সময় উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতেও ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য প্রশাসন। তবে সতর্ক হতে হবে জনগণকেও। ঘূর্ণিঝড় রেমাল আছড়ে পড়ার সময় কী কী করবেন এবং কী কী করবেন না, জেনে নিন।
আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বিকেল থেকেই পরিস্থিতি খারাপ হবে। শুরু হবে ঝড়-বৃষ্টি। এই সময়ে খুব প্রয়োজন না হলে, বাড়ি থেকে বের হতে বারণ করা হয়েছে।
ঝড়-বৃষ্টি আসার আগেই আপৎকালীন প্রয়োজনে বাড়িতে শুকনো খাবার, জল, ওষুধ, পোশাক মজুত রাখুন। হাতের কাছে প্রয়োজনীয় ওষুধও রাখবেন। মোমবাতি, টর্চও হাতের কাছে রাখুন।
আপনার বাড়ি যদি সুরক্ষিত না হয়, বা কাঁচা বাড়ি হয়, তবে সরকারি ত্রাণ কেন্দ্রে বা নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিন।
জরুরি নথি ও মূল্যবান সামগ্রী সযত্নে নিরাপদ জায়গায় রাখুন। হাতে টাকা-পয়সা রাখতেও ভুলবেন না।
ঝড়-বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই মোবাইল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সামগ্রী চার্জ দিয়ে রাখুন। বাড়িতে যদি ইনভার্টার থাকে, তবে তা চার্জ দিয়ে রাখুন।
দুর্যোগ শুরু হলেই টিভি, ফ্রিজ, এসি ও অন্যান্য বৈদ্যুতিন জিনিস প্লাগ থেকে খুলে রাখুন।
ঝড়-বৃষ্টির সময় গাছের নীচে দাঁড়াবেন না। জমা জলে পা রাখবেন না, ঝড়ে যদি তার ছিড়ে যায়, তবে বিদ্য়ুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ছাদ বা বারান্দায় টব থাকলে, তা সরিয়ে রাখুন। বাড়ির কাচের জানালা পিচবোর্ড দিয়ে আটকে রাখুন। এতে কাচ ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কমবে।