
এবার বাজারে শুধু গ্রীষ্মকালের সবজি। খেতে ভাল না লাগলেও ডাঁটা, উচ্ছে, পটল দিয়েই কাজ চালাতে হবে। আপনি যদি কোলেস্টেরলে ভোগেন গরমের আনাজই আপনাকে সুস্থ রাখবে। কীভাবে, ভাবছেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ভাজাভুজি, চিনি ও ময়দা যুক্ত খাবার যত বেশি খাবেন, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়বে। আর বাড়তি কোলেস্টেরলই হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। তাই পাস্তা, চাউমিন, রেড মিট, পিৎজা, বার্গার, সন্দেশ—এই ধরনের খাবার খাওয়া যাবে না। শাকসবজির উপরই ভরসা রাখতে হবে।

গরমে ভাজাভুজি খাবার থেকে দূরে থাকুন। এতে বদহজমের হাত থেকে মুক্তি পাবেন। তার সঙ্গে কমাতে পারবেন কোলেস্টেরলের মাত্রা। আর গরমকালে কোন-কোন সবজি খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারবেন, সেই টিপসও রইল।

ভিটামিন কে, সি, এ এবং ম্যাগনেসিয়াম, ফোলেট ও ফাইবারে ভরপুর ঢ্যাঁড়শ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়ক। ঢ্যাঁড়শে থাকা পেকটিনের যৌগ কোলেস্টেরলের যম। এই গরমে ঢ্যাঁড়শের তরকারি খেলে লাভ আপনারই।

তেতো স্বাদের জন্য উচ্ছে-করলা পছন্দ নয়? কিন্তু এই সবজিই আপনাকে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের হাত থেকে মুক্তি দেবে। এই আনাজে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে। যার জেরে হৃদরোগ আপনার ধারে কাছে ঘেঁষে না।

পটল ভাজা খাওয়ার থেকে তরকারি বানিয়ে খান। এতে তেলও কম যাবে শরীরে। আর পটল খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে বাধ্য। এই সবজির মধ্যে ভিটামিন সি, বি এবং এ রয়েছে, যা ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়।

গরমের সবজি খাওয়ার পাশাপাশি গ্রীষ্মের ফলের সঙ্গেও বন্ধুত্ব পাতান। গরমের দিনে তরমুজ খেলে যেমন দেহে সতেজতা আসে, তেমনই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। এই ফলে থাকা লাইকোপেন কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, কোনওকালেই বন্ধ করা যাবে না শসা খাওয়া। শরীরকে হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি শসা উচ্চ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে পেকটিন রয়েছে, যা এক ধরনের দ্রবণীয় ফাইবার, যা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।