দেশ জুরে এখনও তাপমাত্রার পারদ অতটাও বাড়েনি। তবে হাতে গোনা তার মাত্র কয়েকটা দিন। সামনেই এপ্রিল। তারপরেই রাস্তায় বেরলে লু-এর মুখোমুখি হতে হবে আপনাকে।
ফলে আগে থেকেই শরীরকে সুস্থ্য রাখতে রোজের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন বাটার মিল্ক। কেমনভাবে এই পানীয় তৈরি করবেন, তা দেখে নিন। এর জন্য আপনার প্রয়োজন ১.৫ টেবিল চামচ দই ও ১.৫ গ্লাস জল।
প্রথমে এটি ভালভাবে মেশান এবং উপাদানগুলি একে অপরের থেকে পৃথক হতে ৩ থেকে ৪ মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপরে বাটার মিল্ক আলাদা করুন।
এবার তাতে এক চিমটি ভাজা জিরে, ভাজা পার্সলে গুঁড়ো এবং স্বাদ অনুযায়ী কালো নুন মিশিয়ে দিন। এটি রোজ এক গ্লাস করে খেলেই গরমে কোনওরকম রোগ আপনাকে ছুঁতে পারবে না।
বাটার মিল্কে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে, যা আমাদের শরীরে সঠিক হাইড্রেশন সরবরাহ করে। বিকেলে বাটার মিল্ক খেলে শরীরে সঠিক জলের স্তর বজায় থাকে।
বাটার মিল্কে ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের ভারসাম্য রয়েছে। যেমন ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন বি, যা আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ প্রয়োজনীয়।
হজম শক্তি উন্নত করতেও সাহায্য করে বাটার মিল্ক। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক রয়েছে, যেমন ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়া, যা হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে।
এই ভাল ব্যাকটেরিয়াগুলি আমাদের অন্ত্রের খারাপ ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে এবং হজমশক্তির উন্নতি ঘটায়। ফলে গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।