
৩০ পেরোলে শরীরে অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়। বড়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে অনেক রকম পরিবর্তন আসে। হরমোনের পরিবর্তন হয়, দৃষ্টিশক্তিও কিছুটা হলে কমে আসে। অনেক রকম জটিলতাও আসে

কাজের প্রয়োজনে অধিকাংশ সময়ই আমাদের কম্পিউটার ল্যাপটপের সামনে কাটাতে হয়। এছাড়াও স্মার্ট ফোনের দুনিয়ায় ফোনের পিছনেও অনেকটা সময় চলে যায়। ফোন, ল্যাপটপ ঘাঁটতে থাকলে চোখের উপর চাপ পড়েই

আর তাই নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করার দরকার। চোথের উপর চাপ পড়লে সেখান থেকে পাওয়ার বাড়ে, মাইগ্রেনের সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও আজকাল অনেকেরই কম বয়সে চোখে ছানি পড়ে যাচ্ছে। সঙ্গে গ্লুকোমা তো আছেই

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যা জটিল হয়। যদি পারিবারিক ইতিহাসে চোখের কোনও সমস্যা থাকে তাহলেও সাবধানে থাকতে হবে। চোখ পরীক্ষা করাবেন এবং চশমা ব্যবহার করবেন। মাথা ব্যথা থাকলে তাও চিকিৎসককে জানাবেন, অবহেলা করবেন না

সিগারেট খাওয়া একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে। সিগারেট খেলে হার্ট, ফুসফুস এবং শরীরের অন্য অঙ্গগুলোতেও তার প্রভাব পড়ে। ধূমপান অতিরিক্ত করলে সেখান থেকেও চোখের উপর প্রভাব পড়ে। ধূমপান যদি ছেড়ে দিতে পারেন

বাইরে বেরোলে চোখে রোদচশমা রাখুন। এতে সূর্যের অতিক্ষতিকর বেগুনি রশ্মির প্রভাব থেকে চোখকে রক্ষা করতে পারবেন। তবে সানগ্লাসে এই সুরক্ষা থাকে না। তাই কেনার সময় সতর্ক থাকুন। ফুটপাথ থেকে কিনে সানগ্লাস ব্যবহার না করাই শ্রেয়। সব সময় দেখে ভাল কিনুন

চোখ ঠিক রাখতে নিজেকে হাইড্রেটেড রাখা জরুরি। সারাদিনে পরিমিত জল খান। সঙ্গে ফল, ফলের রস বা ডাবের জল খেতেও ভুলবেন না। জল পরিমাণ মত খেলে শরীর সুস্থ থাকবে। সেই সঙ্গে দৃষ্টিশক্তিও ঠিক থাকবে। ড্রাই আইসের সমস্যা হবে না । অন্য সমস্যাও কম আসবে

একটানা বেশি আলোতে কাজ করবেন না। কাজের ফাঁকে অবশ্যই ব্রেক নিন। সেই সঙ্গে বাড়িতে গাছপালা লাগান। সবুজের দিকে তাকিয়ে থাকুন। একটানা সবুজের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের আরাম হয় আর দৃষ্টিশক্তিও ভাল থাকে