
ফার্স্ট জীবনযাত্রার কারণে বর্তমানে আমাদের নিজেদের অজান্তেই নানা রকম অসুখ শরীরে বাসা বাঁধছে। ইদানিংকালে মারণরোগ ক্যানসার রোগের প্রবণতা অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে। তবে আমরা ডায়েটে সাধারণ কিছু বদল আনলেই ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটা কমে যেতে পারে

ক্যানসার প্রতিরোধে বড় ভূমিকা নিতে পারে ফল এবং শাক-সবজি। এগুলিতে ভিটামিনের পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার থাকে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্যাকেটজাত খাবারের বদলে অন্তত ৫টি ফল ও সবজি রাখলেই ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা মিলতে পারে

ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজি বিশেষ কাজ করে। সবুজ সবজির মধ্যে পেঁয়াজপাতা, পালংশাক, ব্রকলি খুব কার্যকরী। এগুলির মধ্যে থাকা ফাইবার, বায়োঅ্যাক্টিভ যৌগ ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করে

ক্যানসার প্রতিরোধে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার রাখা জরুরি। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে কমলা লেবুর রস, স্ট্রবেরি, ডিম রাখুন। এছাড়া তিসির বীজ, জলে ভেজানো ছোলা খেতে পারেন

লাল বর্ণের স্ট্রবেরির মতো টম্যাটো ক্যানসার মোকাবিলায় অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে। টম্যাটোয় লাইকোপিন থাকে, যা ক্যানসার প্রতিরোধী। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে অবশ্যই টম্যাটো রাখুন

ক্যনসারের বিরুদ্ধে মোক্ষম অস্ত্র হতে পারে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার এবং ফাইটোকেমিক্যাল-যুক্ত খাবার। এই ধরনের খাবারের মধ্যে রয়েছে, বাদামি চাল, মটরশুঁটি, মুসুর ডাল। এগুলি কোলোরেক্টাল, পাকস্থলী এবং অন্ত্রের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়

স্তন ক্যানসারের বিরুদ্ধে খুব কার্যকরী হল, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার। বাদাম ও চর্বিযুক্ত মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তাই প্রতিদিন ডায়েটে এগুলি রাখুন

ওজন কমানো থেকে ক্যানসারের মোকাবিলায় গ্রিন টি-র জুরি নেই। দিনে চিনি এবং দুধ ছাড়া অন্তত তিন কাপ গ্রিন টি সেবন ম্যাজিকের মতো কাজ করে। বিশেষত, স্তন, প্রোস্টেট, পেট, কোলন এবং ত্বকের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি খুবই কার্যকর