মুখের পর হাত-পায়ের ট্যান নিয়ে আপনি বেশি চিন্তিত। কিন্তু আপনার কনুই ও হাঁটু যে কালো হয়ে রয়েছে, সে দিকে খেয়াল রয়েছে? সেখানের চামড়াও বিবর্ণ।
সূর্যের রশ্মির কারণে হাঁটু ও কনুইতে অতিরিক্ত পরিমাণে মেলানিন উৎপন্ন হয়। তার জেরেই শরীরের এই দুই অংশ কালো হয়ে যায়। পাশাপাশি ধুলো-ময়লা, মরা কোষ চামড়াকে আরও কালো করে দেয়।
যেভাবে মুখ বা হাত-পায়ের যত্ন নেওয়া হয়, সেই একই স্কিন কেয়ার রুটিন মেনে চলা হয় না হাঁটু ও কনুইয়ের ক্ষেত্রে। কিন্তু স্লিভলেস জামা বা শর্ট ড্রেস, হট প্যান্ট পরলে বিশ্রী দেখায়। তাই এই দাগছোপ দূর করার উপায় জেনে রাখা দরকার।
দাগছোপ দূর করে এমন অনেক প্রসাধনী পণ্য বাজারে পাওয়া যায়। সেসব পণ্য একটু দেখে কেনাই ভাল। দাগছোপ দূর করতে স্কিন ব্রাইটেনিং পণ্য বেছে নিন। জেল বেসড হওয়া চাই। পাশাপাশি ত্বককে হাইড্রেটেড করে এমন পণ্য বেছে নিন।
হাঁটু ও কনুইয়ের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগাতে পারেন। সূর্যরশ্মির কারণে ত্বকের যে ক্ষয় তৈরি হয়েছে, তা নিরাময় করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জেল। এই প্রাকৃতিক উপাদানের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই ও কে রয়েছে, যা ত্বকের জন্য উপকারী।
বডি লোশন হিসেবে ব্যবহার করুন শিয়া বাটার। শিয়া বাটার ব্যবহার করলে আপনার আর অন্য কোনও পণ্য ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। শিয়া বাটারের মধ্যে ভিটামিন ই রয়েছে। এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজড করে, ত্বককে নরম ও কোমল করে তোলে। শিয়া বাটার হাঁটু ও কনুইয়ের দাগছোপও দূর করে দেয়।
ক্যারট সিড অয়েলের মধ্যে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। এগুলো ত্বককে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। ক্যারট সিড অয়েলের ব্যবহারে আপনি সহজেই হাঁটু ও কনুইয়ের দাগছোপ প্রতিরোধ করতে পারবেন।
নারকেল তেল মাখুন। ত্বকের যত্নে নারকেলের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন। নারকেল তেল মালিশ করলে ত্বক দ্রুত এটি শুষে নেয়। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন ই দাগছোপ দূর করতে দারুণ সহায়ক।