
আজকাল বাঙালির রান্নাঘরে জায়গা দখল করেছে এয়ার ফ্রায়ার। এতে চটজলদি স্ন্যাকস তৈরি হয়ে যায়। পাশাপাশি তেলও লাগে কম। অর্থাৎ এয়ার ফ্রায়ারে ভাজাভুজি রান্না অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

চটকদার রান্না কম সময়ের মধ্যে তৈরি করতে হলে আজকাল অনেকের এয়ার ফ্রায়ারই ভরসা। বিশেষত আপনি যখন ফ্রিশ ফ্রাই, মুরগির মাংস ভাজা, চিকেন গ্রিল করার মতো পদ বানাচ্ছেন তখন এয়ার ফ্রায়ার কাজকে সহজ করে দেয়।

ম্যারিনেট করা মাছ-মাংস এয়ার ফ্রায়ারে তেল ব্রাশ করে দিলেই কাজ শেষ। মাইক্রোওয়েভের মতো সময় দিয়ে দিলে আর কোনও ঝক্কি নেই। কিন্তু সব রান্না এয়ার ফ্রায়ারে আপনি করতে পারবেন না।

এয়ার ফ্রায়ারে উচ্চ তাপমাত্রায় খাবার তৈরি করা হয়। কম তেল লাগে ঠিকই, কিন্তু এমন বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যা ভুলেও এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি করা উচিত নয়। সেগুলো কী-কী, রইল টিপস।

চিজ় বল ভাজতে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করছেন? চিজ় রয়েছে এমন কোনও খাবারই এয়ার ফ্রায়ারের মধ্যে রাখবেন না। চিজ় উচ্চ তাপমাত্রায় গলে গিয়ে এয়ার ফ্রায়ারের সঙ্গে জড়িয়ে যেতে পারে। এরপর এয়ার ফ্রায়ার পরিষ্কার করা কষ্টকর। এমনকী এয়ার ফ্রায়ার নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মাইক্রোওয়েভে অনেকেই ভাত গরম করে। কিন্তু এয়ার ফ্রায়ারের ভুলেও ভাতের তৈরি কোনও রাখবেন না। এমনকী ভাত গরমও করবেন না। এয়ার ফ্রায়ার খাবার গরম বা সেদ্ধ করার জন্য ডিজাইন করা হয়নি।

পাউরুটি সেঁকার জন্য টোস্টার ব্যবহার করুন। এয়ার ফ্রায়ারে রুটি, পাউরুটি, বার্গারের ব্রেড ভুলেও সেঁকবেন না। উচ্চ তাপমাত্রায় এসব খাবার পুড়ে যেতে পারে।

বার্গার, পাস্তা, পিৎজা তৈরি করার জন্য এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করবেন না। যেহেতু এয়ার ফ্রায়ারের তাপমাত্রা বেশি থাকে, তাই এই ধরনের খাবার এয়ার ফ্রায়ারে না দেওয়াই ভাল।