সকালবেলা বাথরুমে গিয়েই মুখে ফেসওয়াশ মাখছেন। কাজে বেরোনোর আগে ভাল করে সিরাম, সানস্ক্রিন মাখছেন। কনসিলার দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন দাগছোপ। জেল্লা বাড়াতে গালে মেখে নিচ্ছেন ব্লাশ। আর রাতে কী করছেন?
ত্বকের যত্ন দু'বেলাই নিতে হবে। সকালবেলা যেমন সানস্ক্রিন ছাড়া এক পাও ফেলা যাবে না। একইভাবে, রাতে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করেই ঘুমোতে যেতে হবে।
বেশিরভাগ মানুষ রাতে মুখ পরিষ্কারের বিষয়ে আলস্য দেখায়। সারাদিন ধুলোবালি, জীবাণু, তেল ত্বকে জমতে থাকে। রাতে ভাল করে মুখ না ধুলে তখনই বাড়ে ব্রণ, বলিরেখা।
রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মুখ পরিষ্কার করা দরকার। এতে ত্বকের রোমকূপগুলো পরিষ্কার হয়ে যায়। এতে ত্বকে অক্সিজেন পৌঁছায়। এই কাজ করলে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
ত্বকে যদি এক ফোঁটাও মেকআপ আটকে থাকে। কিংবা জীবাণু জমতে থাকে, ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এখান থেকে ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডসের সমস্যা তৈরি হয়। বাড়ে ব্রণর সমস্যা। ত্বক অকালে বুড়িয়ে যেতে থাকে।
মুখ পরিষ্কার না করে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস খুব খারাপ। সারারাত ত্বকের ছিদ্রগুলো বন্ধ থাকে। এতে ত্বকের ভিতরে অক্সিজেন পৌঁছায় না। পাশাপাশি ত্বকে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়াগুলো ব্রণর সমস্যা বাড়ায়। ব্রণর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় অবশ্যই মুখ পরিষ্কার করতে ঘুমোতে যান।
রাতে ডবল ক্লিনজিং পদ্ধতির মাধ্যমে ত্বক পরিষ্কার করতে সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়া যায়। এতে মুখের রোমকূপে জমে থাকা ময়লা ও জীবাণু পরিষ্কার হয়ে যায়। এরপর টোনার ব্যবহার করলে ত্বকের অনেক সমস্যা এক নিমেষে কমে যায়।
অল্প বয়সে ত্বকের বার্ধক্যকে প্রতিরোধ করার জন্য রোজ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করুন। ত্বক অপরিষ্কার থাকলে কোলাজেন উৎপাদনে বাধা তৈরি হবে এবং বলিরেখা দেখা দেয়। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর নাইট ক্রিম মেখে নিন।