চিকেন যেমন করেই বানানো হোক না কেন খেতে লাগে খুবই ভাল। শীতকালে গরম গরম চিকেন, ধোঁওয়া ওঠা ভাত সঙ্গে থাকলে আর কোনও কিছুই লাগে না। চিকেন তো কত রকম ভাবেই খাওয়া যায়। আর শীতের দিনে একটু বেশিই ভাল লাগে খেতে
চিলি চিকেন, পালং চিকেন, মেথি চিকেন, রসুন চিকেন, দই চিকেন, চিকেন তন্দুরি, চিকেন পকোড়া কত কিছুই না বানানো যায়। শীতের ওম গায়ে মেখে এসব খেতে মন্দ লাগে না। বাইরে ঘোরা-বেড়ানো আর খাওয়া দাওয়ার জন্য আমরা শীতের দিনই বেছে নিই
কারণ এই সময় আবহাওয়া মনোরম থাকে। যা খুশি তাই খাওয়া যায়। হজম নিয়ে কোনও রকম সমস্যা হয় না। তবে বুঝে শুনে খেতে হবে। শীতের দিনে রান্নাতে খুব বেশি সময় ব্যায় করতে ইচ্ছেও করে না। আর তাই রইল দারুণ একটি চিকেনের রেসিপি। শীতের দিনে খুব সহজেই বানিয়ে নিতে পারবেন
প্রথমে একটা মশলা তৈরি করে নিতে হবে। একটা বড় বাটিতে জল ঝরানো ১৫০ গ্রাম টকদই নিয়ে খুব ভাল করে ফেটিয়ে নিতে হবে। এর মধ্যে ১ বড় চামচ আদা রসুন বাটা, একটু হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, হাফ চামচ জিরে গুঁড়ো, গোলমরিচের গুঁড়ো, ১ চামচ চিকেন মশলা ভাল করে ফেটিয়ে নিতে হবে
খুব স্মুদ একটা মিশ্রণ তৈরি হবে। এর মধ্যে অর্ধেক পাতিলেবুর রস, স্বাদমতো নুন মিশিয়ে খুব ভাল করে আবারও স্মুথ মিশ্রণ তৈরি করে নিন। চিকেনের লেগপিসে এই রান্না বেশি ভাল হয়। একটা কড়াইতে ভালো করে ধুয়ে চিকেনের টুকরো নিয়ে নিন
এর মধ্যে গোটা ৬ টা কাঁচালঙ্কা, একটা টমেটো চার টুকরো করে দিয়ে দিতে হবে। এবার মশলার মিশ্রণ দিয়ে চিকেন ভাল করে মেখে রেখে দিন। ৩০ মিনিট এভাবে রেখে দিতে হবে।
ননস্টিকে সাদা তেল গরম করে তেজপাতা, গোটা গরম মশলা, গোলমরিচ, এলাচ, লবঙ্গ দিন। তেল গরম হলে বড় একবাটি পেঁয়াজ কুচি অল্প নুন দিয়ে ভেজে নিতে হবে। আঁচ বাড়িয়ে পেঁয়াজ ভেজে নিতে হবে। এবার এর মধ্যে ম্যারিনেট করে রাখা চিকেন আর সামান্য জল দিয়ে কষিয়ে নিন
মিডিয়াম আঁচে ঢাকা দিয়ে ১০ মিনিট রান্না করুন। আঁচ বাড়িয়ে আবার ১০ মিনিট কষিয়ে চিকেন নেড়ে চেড়ে মাঝারি আঁচে আরও ১০-১৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। চিকেন থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে এক কাপ গরম জল মিশিয়ে দিন এতে। ঢাকা দিয়ে ১০ মিনিট রান্না করে ঢাকা খুলে কয়েক সেকেন্ড ফুটিয়ে গ্যাস অফ করে দিন। গরম ভাতে দারুণ লাগবে