অনেকেই মনে করেন বছরে একবার সুগার পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নিয়মিত খেলেই কাজ হবে। কিন্তু বাস্তবে তা সত্যি নয়। সেই সঙ্গে এই কয়েকটি ভুলও নিয়মিত ডায়াবেটিস রোগীরা করে থাকেন।
সুগারের ক্ষেত্রে নিয়মিত ভাবে শরীরচর্তা করতেই হবে। তা হতে পারে ১৫ মিনিট বা ৩০ মিনিট। ডাক্তাররা সব সময় ডায়াবেটিসের রোগীদের ৩০-৪০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দেন। সঙ্গে কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সসারসাইজ। রোজ যদি ৪৫ মিনিট করে ব্যায়াম করা যায় তাহলে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
কী খাচ্ছেন সেটাও যেমন ডায়াবেটিস রোগীদের নজরে রাখা দরকার, একই ভাবে কতটা সময় অন্তর খাবার খাচ্ছেন সেটাও জরুরি। দুটো খাবারের মাঝে অনেকটা সময়ের ব্যবধান মোটেও ভাল অভ্যাস নয়। এতে বেড়ে যেতে পারে রক্তে শর্করার পরিমাণ।
যাঁদের সুগারের সমস্যা রয়েছে, হাই সুগার না থাকলেও প্রতি তিনমাস অন্তর সুগার পরীক্ষা করা এবং চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি। এছাড়াও নিজে বাড়িতে নিয়মিত ভাবে সুগার টেস্ট করে দেখুন। কী কী পরিবর্তন হচ্ছে তাও লিখে রাখতে ভুলবেন না। তাহলে চিকিৎসা ঠিকমতো হবে এবং চিকিৎসকের কাজটাও তুলনায় সহজ হয়ে যাবে।
মানসিক চাপ প্রভাব ফেলে সুগার রোগীদের উপর। এতে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে। আর খুব স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায় রক্তে শর্করার মাত্রা। তাই চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখার।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় তৈরি হয় অনিদ্রার সমস্যা। আর এই সমস্যা কোথাও গিয়ে প্রভাব ফেলে সুগার রোগীদের স্বাস্থ্যের উপর। তাই দিনে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম খুব জরুরি।