
সচিন তেন্ডুলকরের আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরির সংখ্যা কত? প্রতিটি ক্রিকেট প্রেমীই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবেন। সেঞ্চুরির শিখরে মাস্টারব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর। কেরিয়ারে একশোটি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরির মালিক। সংখ্যাটা কি আরও বাড়তে পারতো? তাঁর কেরিয়ারের শুরু থেকে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম থাকলে, ঠিক কতগুলো সেঞ্চুরি হতে পারত, এটা আন্দাজ করা কঠিন। অনেক ম্যাচেই ৯০-এর ঘরে আউট হয়েছেন। আবার অনেক ম্যাচে ৯০-এর আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে আউট হয়েছেন। বিশেষ করে লেগ বিফোরের ক্ষেত্রে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সচিন তেন্ডুলকর এই ছবি পোস্ট করে, এমন প্রশ্নই করেছেন।
এক্স হ্যান্ডলে সচিন তেন্ডুলকর একটি ছবি পোস্ট করেছেন। পিছনে তিনটি গাছ। সচিন ব্যাটিং স্টান্স নিয়ে। সঙ্গে ক্যাপশন বা বলা ভালো প্রশ্ন। আপনারা কি বলতে পারবেন, কোন আম্পায়ার স্টাম্পকে এরকম মনে করতেন? আসলে তিনি গাছের উচ্চতার সঙ্গে স্টাম্পকে মিলিয়েছেন। সচিনের পোস্টে একের পর এক মজার কমেন্ট। কিংবদন্তি আম্পায়ার স্টিভ বাকনারের কথাই উঠে এসেছে সকলের জবাবে।
সচিন তেন্ডুলকরকে নিয়ে পরবর্তীতে কিংবদন্তি আম্পায়ার স্টিভ বাকনার স্বীকারও করে নিয়েছিলেন, কেরিয়ারে তিনি বেশ কয়েকবার ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে সচিনের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন স্টিভ বাকনার। ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের তাতে আপশোস আরও বেড়েছিল।
অনেক ঘটনা মনে না থাকলেও দুটো উদাহরণ দেওয়াই যায়, যা সচিন তেন্ডুলকরের কেরিয়ারে বড় প্রভাব ফেলেছিল। ২০০৩ সালে ব্রিসবেনের গাব্বায় এবং ২০০৫ সালে ইডেন গার্ডেন্স। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গাব্বা টেস্টে জেসন গিলেসপির বোলিংয়ে সচিনকে লেগ বিফোর আউট দিয়েছিলেন স্টিভ বাকনার। টেলিভিশন রিপ্লেতে পরিষ্কার ধরা পড়ে, বল উইকেটের অনেকটাই উপর দিয়ে যেত।
তেমনই ২০০৫ সালে ইডেন গার্ডেন্সে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্টে আবদুর রাজ্জাকের বোলিংয়ে সচিনকে কট বিহাইন্ড দিয়েছিলেন স্টিভ বাকনার। বলের সঙ্গে ব্যাটের কোনও সম্পর্কই ছিল না। সচিন অবশ্য বিনা প্রতিবাদেই মাঠ ছাড়েন। এমন নানা ঘটনা থাকলেও সচিন তেন্ডুলকর কিন্তু স্টিভ বাকনারের নাম নেননি। শুধুমাত্র মজার ছলে একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন। যার উত্তর সকলেরই জানা।