কলকাতা: এভাবেও ফিরে আসা যায়। জেড্ডার মাটিতে বসা পঁচিশের আইপিএলের (IPL) মেগা নিলামে অবিক্রিত ছিলেন শার্দূল ঠাকুর (Shardul Thakur)। মহসিন খান চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ায় শার্দূলকে দলে নেয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই প্রথম দুই ম্যাচেই নিজের জাত চেনালেন লর্ড শার্দূল। তাঁর ঝুলিতে এখন মোট ৬টি উইকেট। শার্দূলের এই অবিশ্বাস্য় প্রত্যাবর্তন চমকে দিয়েছে সমালোচকদের। লখনউ টিম ম্যানেজমেন্টও এতে খুশি। আর শার্দূল? এই পরিস্থিতিতে তিনি কতটা খুশি? বলছেনই বা কী?
বৃহস্পতিবার আইপিএলের সপ্তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দারাবাদ বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস। টসে জিতে বল করারবোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় লখনউ ক্যাপ্টেন ঋষভ পন্থ। তারপরেই ম্যাচের শুরু থেকে বল হাতে নিজের ঝলকানি দেখানো শুরু করেন শার্দূল। দলের প্রয়োজনে ফের একবার লর্ড শার্দূল হয়ে ওঠেন। হায়দারাবাদের দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটার অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিষাণকে ম্যাচের একদম শুরুতেই মাঠ ছাড়া করেন মুম্বইকর। প্রথম ইনিংসের শেষের দিকে আরও দুই উইকেট তুলে নেন। মোট ৩৪ রান খরচ করে ৪টি উইকেট নিয়েছেন।
অরেঞ্জ আর্মিকে হারানোর পর শার্দূল বলেন, “ক্রিকেটে এই রকম ঘটনা ঘটে থাকে। ২০২৫ আইপিএল নিলামের দিনটা আমার জন্য একটা খারাপ দিন ছিল। লখনউ মানেজমেন্ট আমার সঙ্গে কথা বলে যখন ওদের দলের বোলার মহসিন চোট পেয়ে আইপিএল থেকে ছিটকে যায়। সেই সময় আমার কাছে এটা একটা সুবর্ণ সুযোগ আসে। জাহির খানের সঙ্গে কাজ করার।”
নিজের প্রত্যাবর্তন নিয়ে খুশি হওয়ার পাশাপাশি দল যে জয়ের সারণিতে ফিরেছেন, তাতে খুশি শার্দূল। তিনি বলেন, “ক্রিকেটে এই রকম ওঠানামা হতে থাকে। এবং আমার কাছে দলের জয়টাই শেষ কথা। আমি উইকেট ও রানের দিকে তাকাই না। আমি খালি ম্যাচের মধ্যে নিজের ছাপ রাখতে চাই।”
আইপিএলের আরও খবর পড়তে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।