Asit on Rachna: ‘দেবাংশু হারলে দায়ী রচনা…মিথ্যা কথা বলে দিদির কান ভাঙিয়েছে’, সাময়ির ‘বিরতি’ কাটিয়ে আবার ‘স্বমহিমায়’ অসিত
Hooghly: অসিত দীর্ঘদিনের তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন। দক্ষ সংগঠকও। সেই কথা আবারও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। এ দিন, সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন তবে কি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ধীরে-ধীরে মমতার বিশ্বস্ত হয়ে উঠছেন? অসিত বলেন,"নাচাকোদার লোক হলে হবে...। আমরা তো নাচাকোদার লোক নই। সিপিএম-এর সঙ্গে লড়াই করা লোক। আমরা পাউডার স্নো মেখে এক ঘণ্টা বাদে বাদে মুখ ওয়াস করি না। যাঁরা মুখ ওয়াস করে দিদির সামনে যায় দিদির ভাল লাগে তাঁদের।"

চুঁচুড়া: আবার,আবার বেলাগাম চুঁচুড়ার বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদার। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে টিকিট না পেয়ে আগেই বিক্ষুব্ধ ছিলেন তিনি। মাঝে একটু শান্ত হয়েছিলেন বটে। তবে, ফের বেলাগাম অসিত। সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রুপবাজির অভিযোগ তুললেন তিনি। শুধু তাই নয়, এবারের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যের ফল খারাপ হলে তার জন্য দায়ী থাকবেন রচনা। একেবারে সাংবাদিক বৈঠক করে সোজাসাপ্টা কথা অসিত মজুমদারের।
অসিত বলেন, “রচনা চায় না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা ওঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারেবারে বলেছেন যাতে সকলকে নিয়ে চলতে। অথচ ও সেটা করছে না।” এরপরই ক্ষোভ উগরে দিয়ে অসিত দাবি করেন, মমতার কান ভাঙিয়েছেন রচনা সেই কারণেই তিনি টিকিট পাননি। তিনি বলেন, “আমি এখনো বিধায়ক মিছিল ডেকেছে আমার নাম নেই। রচনা মিছিল করবে দেবাংশুকে নিয়ে। আর অর্ডার দেবে। এটা মেনে নেব না। ৭৪ জন বিধায়ক যাঁরা টিকিট পায়নি তাঁদের অপমান করেছে। কে রচনা তিন দিনের যোগি। ও দল শেখাবে?ও চায় না দেবাংশু জিতুক।”
অসিত দীর্ঘদিনের তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন। দক্ষ সংগঠকও। সেই কথা আবারও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। এ দিন, সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন তবে কি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ধীরে-ধীরে মমতার বিশ্বস্ত হয়ে উঠছেন? অসিত বলেন,”নাচাকোদার লোক হলে হবে…। আমরা তো নাচাকোদার লোক নই। সিপিএম-এর সঙ্গে লড়াই করা লোক। আমরা পাউডার স্নো মেখে এক ঘণ্টা বাদে বাদে মুখ ওয়াস করি না। যাঁরা মুখ ওয়াস করে দিদির সামনে যায় দিদির ভাল লাগে তাঁদের।” মনখারাপ করে তিনি এও বলেন, “দিদি পুরনোদের বিশ্বাস করছে না। দল যা বলে দিয়েছে তাই করেছি। রচনা শুধু অভিষেক আর দিদিকে মিথ্যা কথা বলে এই সর্বনাশ করেছে।”
এরপর রচনাকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, “দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান আমিও দাঁড়াবো নির্দলে। যদি না ওর থেকে বেশি ভোট পাই মাথা ন্যাড়া করে হুগলি জেলায় ঘুরব।”
এ দিকে রচনা বলেন, “নতুন প্রার্থী ঠিক করেন সুপ্রিমো আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর পুরনো প্রার্থী হলে ঠিক হয় মূলত মানুষের বিশ্বাস ভালোবাসা আর আস্থার উপর। এরপর সেই কাজ করে আইপ্যাক। সেই জায়গায় জয়ী হলেই পুরনো প্রার্থী রিপিট হয়।”
