AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Humayun Kabir on ISF: ফুরফুরায় নতুন হাওয়া? ISF-এর সঙ্গে জোটটা কি হচ্ছে হুমায়ুনের জনতা উন্নয়ন পার্টির?

West Bengal Election 2026: নওশাদ সিদ্দিকী বলছেন, “ফুরফুরায় সমস্ত মানুষ আসতে পারে। এটা ধর্মীয় জায়গায়। এখানে কোনও বিভেদ নেই। উনি যখন এসেছিলেন তখন আমি ছিলাম না। জোটের ক্ষেত্রে আমার সিপিআইএম ও কংগ্ৰেসকে চিঠি দিয়েছি। অন্য অনেক দলের সাথে আমাদের আলোচনা চলছে। কিন্তু জোটের জন্য আলোচনার ক্ষেত্রে অফিসিয়ালি যোগাযোগ করতে হবে।”

Humayun Kabir on ISF: ফুরফুরায় নতুন হাওয়া? ISF-এর সঙ্গে জোটটা কি হচ্ছে হুমায়ুনের জনতা উন্নয়ন পার্টির?
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর Image Credit: Social Media
| Edited By: | Updated on: Jan 09, 2026 | 7:25 PM
Share

জাঙ্গিপাড়া: নতুন দল গঠনের পর এই প্রথম ফুরফুরায় এলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। একাধিক পীরজাদার সঙ্গে দেখা হলেও বাড়িতে গিয়েও দেখা পেলেন না নৌশাদ সিদ্দিকীর। অফিসিয়াল চিঠি দিলে আলোচনার পথ এগোবে , জানালেন নৌশাস সিদ্দিকী। কত শতাংশ ভোট পান যে চিঠি দিতে হবে, পাল্টা বললেন হুমায়ুন কবীর। চর্চা-তরজার মধ্যেই খোঁচা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের সাফ কথা, কোনওভাবেই সফল হবে না হুমায়ুন কবীর। 

এদিন জাঙ্গিপাড়ার ফুরফুরায় এসে প্রথমে পীরজাদা সাফেরি সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা ভরতপুর এর বিধায়ক। সেখান থেকে ইব্রাহিম সিদ্দিকীর সঙ্গেও দেখা করতে যান হুমায়ুন কবীর। সেখান থেকে চলে যান আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর বাড়ি। সেখানে আব্বাস সিদ্দিকী বা নওশাদের সঙ্গে দেখা করতে চান। কিন্তু ১০ মিনিট অপেক্ষা করার পরেও কারও সঙ্গেই দেখায় হয়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি দরবার শরীফের দিকে চলে যান। 

তাহলে কী আসন্ন বিধানসভা ভোটে হুমায়ুনের দলের সঙ্গে জোট হচ্ছে আইএসএফের? নওশাদ সিদ্দিকী বলছেন, “ফুরফুরায় সমস্ত মানুষ আসতে পারে। এটা ধর্মীয় জায়গায়। এখানে কোনও বিভেদ নেই। উনি যখন এসেছিলেন তখন আমি ছিলাম না। জোটের ক্ষেত্রে আমার সিপিআইএম ও কংগ্ৰেসকে চিঠি দিয়েছি। অন্য অনেক দলের সাথে আমাদের আলোচনা চলছে। কিন্তু জোটের জন্য আলোচনার ক্ষেত্রে অফিসিয়ালি যোগাযোগ করতে হবে। তবেই আলোচনা এগোবে।” পাল্টা হুমায়ুন বলেন, “আমার জানা নেই অফিসিয়াল কোনটা। আমি অতো ভনিতা করে কারও সঙ্গে কথা বলি না। কাউকে চিঠি দেব না। কারও ইচ্ছা হলে বসবে না হলে না বসবে। কাউকে চিঠি দেওয়ার মতো দুর্বল জায়গায় হুমায়ুন কবীর নেই। অফিসিয়ালি চিঠি দিয়ে জোট করার জন্য কাউকে আবেদন করবো না। আমি ওপেন বলব।” 

পাল্টা তোপ দাগতে ছাড়ছেন না ফুরফুরার আর এক পীরজাদা তথা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কাশেম সিদ্দিকী বলেন, “যে কোনও দলের লোক ফুরফুরায় আসতে পারেন। কিন্তু উনি যে উদ্দেশ্যে এসেছেন সেই উদ্দেশ্য সফল হবে না।”