CPIM Joining in Domkal: ডোমকলে উলটপুরাণ! তৃণমূলের পার্টি অফিসে উড়ল লাল পতাকা! ‘শূন্যে’ থাকা সিপিএমে যোগ কয়েক’শ পরিবারের
West Bengal CPIM: গত বছর ডোমকলে অন্য একটি পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করে সিপিএম। উল্লেখ্য, ২৬-এর নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ জেলার দিকে বিশেষ নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। এই জেলায় একদিকে যেমন বিধানসভা ভোটে লড়ছেন অধীর চৌধুরী, অন্যদিকে হুমায়ুন কবীরও হয়ে উঠতে পারেন বড় ফ্যাক্টর। এই পরিস্থিতিতে সিপিএমে এই যোগদান শাসকদলের কাছে উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ডোমকল: ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর মাঝেমধ্যেই শোনা যেন পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ। জায়গায় জায়গায় সিপিএমের পার্টি অফিস দখল হওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন বামকর্মীরা। ১৫ বছর পর ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে মুর্শিদাবাদের ডোমকলে যা ঘটল, তা যেন উলটপুরাণ। তৃণমূল ছেড়ে সিপিএমে যোগ দিলেন অন্তত ৪০০ পরিবারের সদস্য। শুধু তাই নয়, সিপিএমের পতাকা ওড়ানো হল ডোমকলের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের পার্টি অফিসে।
তৃণমূলের বড় ধাক্কা
শূন্যে থাকা সিপিএমে যোগদানের যে ছবি ডোমকলে দেখা গেল, মুর্শিদাবাদের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতিও যোগ দিয়েছেন সিপিএমে। কর্মীদের প্রশ্ন করা হলে তাঁরা বলছেন, ‘তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জবাব দিচ্ছি আমরা।’
এই ঘটনা যে ভোটের আগে ডোমকলে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা, তেমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শুধু সাধারণ কর্মীই নন, ওই ওয়ার্ডের তৃণমূলের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি বাবু মালিথাও দলত্যাগ করে সিপিএমে যোগ দিয়েছেন। যোগদানের পরেই কর্মীরা এলাকায় শক্তি প্রদর্শন করে এবং তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নেন বলে অভিযোগ।
বিজেপির দাবি, সিপিএমকে প্রশ্রয় দিচ্ছে তৃণমূলই। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূলই সিপিএমকে জাগিয়ে তুলছে।’
এর আগে গত বছর ডোমকলে অন্য একটি পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করে সিপিএম। উল্লেখ্য, ২৬-এর নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ জেলার দিকে বিশেষ নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। এই জেলায় একদিকে যেমন বিধানসভা ভোটে লড়ছেন অধীর চৌধুরী, অন্যদিকে হুমায়ুন কবীরও হয়ে উঠতে পারেন বড় ফ্যাক্টর। এই পরিস্থিতিতে সিপিএমে এই যোগদান শাসকদলের কাছে উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
