AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Potato: আলু কিনতে আধার কার্ড দেখাতে হবে, নতুন নিয়ম এবার

Potato: শুক্রবার থেকে এই নতুন নিয়ম জারি হয়েছে বলে দাবি আলু ব্যবসায়ীদের। আলু বিক্রেতা গৌতম গরাই বলেন, "আধার কার্ড দেখে আলু দেওয়া গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। কেন আধার কার্ড লাগছে আমরা বলতে পারব না। নির্দেশ এসেছে। বোধহয় আলুর দাম বেড়ে গিয়েছিল বলে। ১৭০০ ১৮০০ টাকা করেও আলু নিয়ে গিয়েছি আসলে।"

Potato: আলু কিনতে আধার কার্ড দেখাতে হবে, নতুন নিয়ম এবার
আলু কিনতে আধার?Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 09, 2024 | 8:35 PM
Share

পুরুলিয়া: আলু নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে কার্যত হইচই জেলায় জেলায়। এই আবহে এবার আলুর কালোবাজারি রুখতে প্রশাসন নতুন নিয়ম চালু করেছে বলে দাবি ঝাড়খণ্ডের সীমানা জেলা পুরুলিয়ার আলু ব্যবসায়ীদের। তাঁদের দাবি, প্রশাসন বলেছে, আধার কার্ড দেখে আলু দিতে।

পাইকারি দরে আলু কিনতে হলে আলু ব্যবসায়ীদের কাছে দেখাতে হচ্ছে আলু ক্রেতাদের আধার কার্ড ও ফোন নম্বর। পুরুলিয়া জেলার বাসিন্দা ছাড়া আলু বিক্রি করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি আলু ব্যবসায়ীদের একাংশের। জেলার সাধারণ ক্রেতাদের একটি আধার কার্ডে মিলছে কুইন্ট্যাল প্রতি ১১০০ টাকা দরে ১ বা ২ বস্তা আলু । ৫ বস্তা আলু কিনতে হলে জেলা পুলিশের কাছে অনুমোদন পত্র নিতে হচ্ছে বলেও দাবি ক্রেতাদের।

শুক্রবার থেকে এই নতুন নিয়ম জারি হয়েছে বলে দাবি আলু ব্যবসায়ীদের। আলু বিক্রেতা গৌতম গরাই বলেন, “আধার কার্ড দেখে আলু দেওয়া গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। কেন আধার কার্ড লাগছে আমরা বলতে পারব না। নির্দেশ এসেছে। বোধহয় আলুর দাম বেড়ে গিয়েছিল বলে। ১৭০০ ১৮০০ টাকা করেও আলু নিয়ে গিয়েছি আসলে।”

অন্যদিকে সুরজিৎ সেন নামে আরেক আলু বিক্রেতা বলেন, “প্রশাসন থেকে বলেছে পরিচয়পত্র দেখে, অ্যাড্রেস প্রুফ দেখে যেন আলু বিক্রি করা হয়। যাতে আলু ঝাড়খণ্ডে না চলে যায়। আমাদের পুরুলিয়া তো ঝাড়খণ্ডের বর্ডার। সেই জন্য আমরা বারো মাসের খরিদ্দারের থেকে অ্যাড্রেস প্রুফ নিচ্ছি। আধারে আমরা ঠিকানা দেখছি। সেটা দেখে আলু বিক্রি করছি।”

পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ড রাজ্যে আলু পাচার রুখতে এবং আলুর বাজার দর নিয়ন্ত্রণ রাখতে জেলা পুলিশ প্রসাশনের এই পদক্ষেপ বলে জানাচ্ছেন জেলার আলু ব্যবসায়ীরা। তবে পুরুলিয়া জেলা সমবায় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শ্যামল চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, “আলু মানুষের রোজকার সংসারে লাগে। সেক্ষেত্রে আধার কার্ডের প্রয়োজনীয়তা কতটা প্রশ্ন আছে। যদি বড় সমস্যা হয়। সত্যি আলুর সঙ্কট হলে, বাড়ি থেকে এনে প্রতিটা মানুষকে দিতে হলে, তখন আধার কার্ডের ব্যবস্থা করতে পারি। সেটা আলাদা পরিস্থিতি। বর্তমানে আলুর ক্রাইসিস সত্যিই হচ্ছে নাকি ব্যবসায়ীরা অন্য কোথাও কিছু করছে সেটা দেখার আছে। সমবায় আন্দোলন করা লোক আমি, আমি বলব সমবায়ের মাধ্যমে আলু বিক্রি করা গেলে খুব ভাল নয়।

আরও খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Tv9 বাংলা অ্যাপ (Android/ iOs)

Follow Us