Yes Bank share price: HDFC-র সোনার কাঠির ছোঁয়াতেই যেন ফিরল প্রাণ, দালাল স্ট্রিটে লম্বা রেসের ঘোড়া এখন Yes Bank!

Yes Bank share price: ২০০৫ সালের জুন মাসে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ ও বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে নাম লেখায় ইয়েস ব্যাঙ্ক। যাত্রা শুরুর পর থেকে সময়টা বেশ ভালই কাটছিল। ২০১৮ সালের পর থেকে তো লম্বা দৌড় শুরু।

Yes Bank share price: HDFC-র সোনার কাঠির ছোঁয়াতেই যেন ফিরল প্রাণ, দালাল স্ট্রিটে লম্বা রেসের ঘোড়া এখন Yes Bank!
দালাল স্ট্রিটে শোরগোলImage Credit source: Facebook
Follow Us:
| Updated on: Feb 10, 2024 | 1:54 PM

কলকাতা: ধুঁকছিল দীর্ঘদিন থেকেই। অবশেষে ধীরে ধীরে হলেও বেশ খানিকটা ঘুরে দাঁঢ়াচ্ছে ইয়েস ব্যাঙ্ক। চলতি সপ্তাহে বেশ খানিকটা বেড়েছে শেয়ার দর। গত এক মাসে স্টকের দামে ২৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখে শেষ ট্রেডিংয়ের সময় ইয়েস ব্যাঙ্কের শেয়ার দর দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪৫ পয়সায়। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী কয়েকদিনে এই স্টকের শেয়ার দর আরও বেশ খানিকটা বাড়তে পারে। অনেকেই বলছেন, শীঘ্রই তা ৪০ টাকার গণ্ডিও পেরিয়ে যেতে পারে। 

কোন ম্য়াজিকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ইয়েস ব্য়াঙ্ক? 

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালের ১০ অগস্ট এই ইয়েস ব্যাঙ্কের এক একটি স্টকের দাম ছিল ১৬ টাকার ঘরে। ১ নভেম্বর তা আরও কমে ১৫ টাকার ঘরে চলে যায়। কিন্তু, তেইশের শেষ থেকেই ধীরে ধীরে বদলাতে থাকে পরিস্থিতি। নতুন বছরের শুরুতে ২৪ জানুয়ারি স্টকটির দাম ঘোরাফেরা করতে থাকে ২৪ থেকে ২৫ টাকার ঘরে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়েস ব্যাঙ্কের এই ঊর্ধ্বগতির নেপথ্যে রয়েছে HDFC এর হাত। ৬টি ব্যাঙ্কের সাড়ে ৯ শতাংশ শেয়ার কেনার অনুমতি চেয়ে আরবিআইয়ের কাছে দরবার করেছিল HDFC। অবশেষে তাতে মিলেছে গ্রিন সিগন্যাল। তারই প্রভাব শেয়ার বাজারে দেখা যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

এই খবরটিও পড়ুন

এদিকে একযোগে ৯ ব্যাঙ্কের বেশ বড় অংশের শেয়ার কেনার ফলে ব্যাঙ্কিং সেক্টরে HDFC এর পায়ের তলার মাটি যে আরও শক্ত হল তা বলাই বাহুল্য। বিগত কয়েকদিনে সামান্য হলেও দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছে HDFC এর শেয়ার দরে। এইচডিএফসি বর্তমানে ইয়েস ব্যাঙ্ক, ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, বন্ধন ব্যাঙ্ক, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক ও সূর্যোদয় স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্কের সাড়ে ৯ শতাংশ শেয়ার কেনার অনুমতি পেয়েছে। খবর সামনে আসতেই ইয়েস ব্যাঙ্কের পাশাপাশি বাকি সংস্থাগুলিরও শেয়ার দরে বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। 

পতনের নেপথ্যে কী কারণ? 

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের জুন মাসে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ ও বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে নাম লেখায় ইয়েস ব্যাঙ্ক। যাত্রা শুরুর পর থেকে সময়টা বেশ ভালই কাটছিল। ২০১৮ সালের পর থেকে তো লম্বা দৌড় শুরু। কখনও দাম ছাড়িয়ে গিয়েছে একেবারে সাড়ে তিনশোর গণ্ডি। কিন্তু, ইয়েস ব্যাঙ্কে বিনিয়োগকারীদের মুখের হাসি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। দেওয়ান হাউসিং, এসেল গ্রুপ, অনিল আম্বানি গ্রুপ ও ভিডিওকনের মতো সংস্থাগুলি ইয়েস ব্যাঙ্কের থেকে মোট টাকা ঋণ করে। কিন্তু, তারা আর সেই ঋণ শোধ করতে পারেনি। ফলে অচিরেই হু হু করে নামতে থাকে ইয়েস ব্যাঙ্কের শেয়ার দর।