Election Commission: আসতে শুরু করেছে চিঠি, রাজ্যের ১০ লক্ষ কর্মীর জন্য বড় নির্দেশ কমিশনের
এই মুহূর্তে বাংলায় প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ রাজ্য সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত। কমিশনের নির্দেশ, তাঁদের প্রত্যেককেই এবার হলফনামা জমা দিতে হবে। তাঁদের জানাতে হবে, তাঁরা কোথাকার ভোটার? তাঁরা সেই জায়গার ভোটার নাকি অন্য জায়গার, তিনি আগে কোথায় ভোটার ছিলেন, এই সবই তথ্য তাঁকে হলফনামা আকারে দিতে হবে।

কলকাতা: এবার রাজ্য সরকারি কর্মীদের হলফনামা তলব করল কমিশন। দু’জায়গায় ভোটার লিস্টে যদি নাম থাকে, তাহলে এক জায়গায় কাটাতে হবে। রাজ্য সরকারের দফতরগুলিতে চিঠি পাঠিয়ে হলফনামা চাইছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য সরকারি কর্মীদের পাঠানো হচ্ছে ডিক্লারেশন ফর্ম। আগেই কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছিল, কোনও ভোটারের যদি দুজায়গায় নাম থাকে, তাহলে সেটা এসআইআর-এর মাধ্যমে বাদ পড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে সেই ভোটারের একটাই এনুমারেশন ফর্ম গৃহীত হবে।
এই মুহূর্তে বাংলায় প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ রাজ্য সরকারি কাজের সঙ্গে যুক্ত। কমিশনের নির্দেশ, তাঁদের প্রত্যেককেই এবার হলফনামা জমা দিতে হবে। তাঁদের জানাতে হবে, তাঁরা কোথাকার ভোটার? তাঁরা সেই জায়গার ভোটার নাকি অন্য জায়গার, তিনি আগে কোথায় ভোটার ছিলেন, এই সবই তথ্য তাঁকে হলফনামা আকারে দিতে হবে।
কিন্তু কেন এই হলফনামা?
কমিশনের তরফ থেকে তার একটা কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মীরা কেবলমাত্র একই জায়গায় ভোটার, সেটা তাঁদেরকেই দায়িত্ব নিয়ে জানাতে হবে। যদি কেউ মিথ্যা কিংবা ভুল তথ্য দেন, সেটা তাহলে হলফনামা আকারে জমা থাকবে কমিশনের কাছে। সেই মোতাবেক পদক্ষেপ করবে কমিশন। এর জন্য এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।
এই নিয়ে বিএলও সংগঠনের নেতা স্বপন মণ্ডল বলেন, “বিভিন্ন দফতরের কর্মীদের জন্য এই ফর্ম তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন স্কুলেও পাঠানো হয়েছে। এই ফর্মে পরিস্কার করে জানাতে হবে, তাঁদের নাম অন্য কোথাও ছিল কিনা। যদি থেকে থাকে, তাহলে সেই নাম ডিলিট করার জন্য তাঁরা কোনও পদক্ষেপ করেছেন কিনা, কোথাও আবেদন করেছেন কিনা।”
